মো: রিয়াজুল ইসলাম: বর্তমানে বিশ্বে বায়ু দূষণের মাত্রা এতো বেশি যে এই দূষনের কারনে কোন কোন দেশের শহরের স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেয়া হয় । ২০২২ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের দূষিত বাতাসের দেশের তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে ছিল। ২০২৩ সালে বাতাসের গুণগত মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে ছিল আমাদের সোনার বাংলাদেশে। এর পরের দুই অবস্থান দখল করেছিল যথাক্রমে পাকিস্তান ও ভারত। বর্তমানে সহনশীল মাত্রার ২০ গুন বেশি বায়ু দূষণের করলে রয়েছে বাংলাদেশ। এতো কিছু জানানোর কারন যেহেতু সিগারেটের ধোঁয়া বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ। কিছু দিন আগেও শুধু কলেজ আর ভার্সিটি পড়ুয়া ছাএদের সিগারেটের ধোঁয়া নিতে দেখা যেত। কিন্তুু বর্তমানে ছোট ছোট স্কুল এর কোমলমতি ছাত্রদের হাতেও সিগারেট দেখা যায়। এমনি কি স্কুল, কলেজ,ভার্সিটি এবং কর্পোরেট হাউজের মেয়েদেরও বর্তমানে পুরুষদের সাথে সমান তালে সিগারেটের ধোঁয়া নিতে দেখা যায় একইসাথে একই দোকানে পুরুষের সাথে বসেই । যেন সমান অধিকার আদায় করছেন। তাই এককথায় বলা যায় আমাদের ভবিষ্যৎ জাতি অন্ধকারের মধ্যে আছে। বর্তমানে ঢাকাতেই বায়ু দূষণের হার এতো বেশি যে বর্তমানে ঢাকা প্রায় বসবাস অযোগ্য হয়ে পরেছে । এভাবে সিগারেটের ব্যাবহার দিনদিন বৃদ্ধি হওয়ার ফলে পুরো বাংলাদেশ একদিন বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়বে। অন্য দিকে কোমলমতি ছাত্র সমাজ তাদের দেহের ক্ষতি করে ভবিষ্যতে পংগু হয়ে পড়বে, যেখানে তখন তাদের দেশের হাল ধরার কথা ছিল। বায়ুদূষণের কারনে শিশুরাও জটিল রোগে ভূগছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের সোনার বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে বায়ু দূষণের রাজা হয়ে বিশ্ব শাসন করবে । তামাক জাতীয় পণ্যের ব্যবহার কমানোর জন্য সরকার প্রতি বছরই এর উপর অথ্যধিক কর আরোপ করেও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সুকৌশলে কিছু সিগারেটের দাম নতুন নামে কমই করে থাকে কোম্পানিগুলো।
। আরেকদিকে তামাক জাতীয় পণ্যের প্রচারণায় সরকারি কড়াকড়ি বিধিনিষেধ থাকলেও কোম্পানিগুলো সুকৌশলে প্রচারণা চালিয়েও যাচ্ছেন আইনপ্রয়োগ সংস্থাগুলোর নাকের ডগায়।
এ ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ না নিলে অচিরেই আমাদের বাংলার তরুণ প্রজন্ম সহ গোটা জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ কতৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।