আবু নাঈম,বোয়ালখালী প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বোয়ালখালীতে এবারের কোরবানির ঈদে জবাইয়ের জন্য ৪৭ হাজার ৯৭৯টি পশু প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সেতু ভূষণ দাশ। কোরবানির বাজারে সন্তোষজনক পর্যায়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
সেতু ভূষণ দাশ বলেন, কোরবানির জন্য ৩৩ হাজার ৮৫৪টি গরু ও মহিষ, ১৪ হাজার ১২৫টি ছাগল-ভেড়া প্রস্তুত আছে।
তিনি বলেন, কোরবানির দিনটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব পর্যায়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ থাকবে। বোয়ালখালীতে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ১১টি হাট রয়েছে। প্রত্যেক হাটের জন্য মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রয়েছে। কোরবানি সুষ্ঠু ও সুন্দর হোক- সকলের এ প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।
পশুর সংখ্যা কীভাবে নিরুপণ করা হয়েছে এ সম্পর্কে তিনি বলেন, সারা বছর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে ভ্যাক্সিনেশন ও ট্রেনিং আওতায় আনা খামারীদের তালিকা মাধ্যমে কিছু তথ্য রয়েছে৷ এছাড়া সম্প্রতি যেগুলো ঢুকেছে সেগুলো নিরুপণ করার জন্য প্রতি ইউনিয়নে একজন করে সার্ভিস প্রোভাইটর রয়েছেন তারা নিরুপণ করেছেন।
পশুর দাম নির্ধারণে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে প্রশ্নের জবাবে সেতু ভূষণ দাশ বলেন, চাহিদা ও সরবরাহে পার্থক্য থাকলে দামটা সামনে আসে। এবার যেহেতু গতবারের চাইতে ৩ শতাংশ পশু বেশি মজুত আছে। এছাড়া বোয়ালখালীতে ৩৮ হাজার ৮১৫টি পশুর চাহিদা রয়েছে যা মজুতকৃত পশু থেকে ৩ শতাংশ কম। সেহেতু এবার দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষেই সন্তোষ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (০৬ জুন) বোয়ালখালী বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা যায়, হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান, গারনেসি, ব্রাউন সুইস, আমেরিকান মিল্কিং ডেভন,নরম্যান্ডি ক্যাটল, লাল এবং সাদা হলস্টেইন সহ বিভিন্ন প্রজাতির গরু রয়েছে। খামারের ক্রেতাদের আনাগোনাও ছিলে দেখার মত।
ক্রেতারা বলছেন, হাটের ভিড় এড়িয়ে ভালো মানের গরু কিনতে তাঁরা সরাসরি খামারে এসেছেন।
শ্রীপুর -খরণদ্বীপ ইউনিয়নের মেসার্স বার আউলিয়া এগ্রো ট্রেডার্স-এর সত্ত্বাধিকারী মো. ইউছুপ জানান, গত দুই বছরে তুলনায় এবার কোরবানি পশুর ভালো দাম পাওয়া যাবে। ইতোমধ্যে ২০টি গরু বিক্রি করছি। যাতে ভালো দাম পেয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমরান হোসেন সজীব বলেন, কোরবানি হাটে নিরাপত্তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।