1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
বালিয়াড়ি থেকে ঝাউবন, সর্বত্র বাণিজ্যের চাপ—কক্সবাজারে কী ঘটছে? - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
অতিবৃষ্টিতে পশ্চিম লাল্যাঘোনা–মাইনীমুখ সড়কে যান চলাচল বন্ধ নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে এনডিপির গভীর শোক ও সংহতি ফরিদপুর-৪ এ উন্নয়নের জোয়ার, বদলে যাচ্ছে ভাঙ্গার চিত্র নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আশুলিয়া কমিটির উদ্যোগে ইলিয়াস কাঞ্চনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া করা হয়েছে সাতক্ষীরায় মৌচাক সাহিত্য পরিষদের বিগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ভোলায় নকশা অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণ, ১৩ মালিককে পৌরসভার নোটিশ দুর্গাপুরে মাদ্রাসা সুপার জাহিদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা দুর্গাপুরে বাল্যবিয়ের আয়োজন করায় কনের বাবা আটক, মুচলেকায় ছাড় দুর্ভিক্ষের অবসান বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ

বালিয়াড়ি থেকে ঝাউবন, সর্বত্র বাণিজ্যের চাপ—কক্সবাজারে কী ঘটছে?

– তিন দিন ধরে সরেজমিন অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বালিয়াড়ি দখল, সারি সারি দোকান, হকারদের অতিরিক্ত হাঁকডাক, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তা সংকটের চিত্র; পর্যটন পুলিশের সীমিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন

reporter সোহরাব উদ্দিন মন্ডল, কক্সবাজার
calendar প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ

সাগরের ঢেউ, দিগন্তজোড়া বালিয়াড়ি আর খোলা প্রকৃতির টানে প্রতিবছর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছুটে আসেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক। সমুদ্রের পাড়ে বসে ঢেউ দেখা, বালুচরে হাঁটা কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটানো—পর্যটকদের কাছে কক্সবাজারের মূল আকর্ষণই এই অবারিত সৌন্দর্য। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র যেন বদলে যাচ্ছে। সৈকতের বিভিন্ন অংশে সারি সারি দোকান, বালিয়াড়িতে অস্থায়ী স্থাপনা, ভাসমান হকারদের অবিরাম হাঁকডাক, কিটকটের বাণিজ্যিক ব্যবহার, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং নিরাপত্তা সংকট মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে—পর্যটকদের সেই কাঙ্ক্ষিত কক্সবাজার কোথায়?

সৈকতের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, বালিয়াড়ি ও তার আশপাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। কোথাও ত্রিপল টানিয়ে, কোথাও ভ্যানের ওপর, আবার কোথাও কাঠের কাঠামো তৈরি করে চলছে ব্যবসা। কাপড়চোপড়, আচার, চকলেট, শামুক-ঝিনুকের সামগ্রী, চা-কফি, পান-সিগারেট, ভাজাপোড়া খাবারসহ নানা পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। এতে সৈকতের খোলা বালুচরের বড় একটি অংশ এখন পর্যটনসেবার পরিবর্তে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের জায়গায় পরিণত হচ্ছে।

চলতি বছরের মার্চে সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়িতে ৯৩০টি দোকানসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাস না যেতেই আবারও শত শত দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠার অভিযোগ পাওয়া যায়। এমনকি একদিন দুপুরে সুগন্ধা সৈকতের বালিয়াড়িতে ১১৩টি ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেগুলো উচ্ছেদ করা হয়। এর আগে ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে সুগন্ধা, লাবনী, কলাতলী ও আশপাশের বালিয়াড়ি ও ঝাউবাগানে শত শত দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠার অভিযোগও এসেছে।
অর্থাৎ একদিকে উচ্ছেদ অভিযান, অন্যদিকে আবার দখল—এই চক্র যেন থামছেই না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—বারবার উচ্ছেদের পরও কারা, কীভাবে এবং কোন সুযোগে একই জায়গায় আবার দোকান বসাচ্ছে?

সৈকতসংলগ্ন এক স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি সেখানে একটি দোকান বসাতে প্রায় এককালীন ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। অথচ দোকানটি কতদিন চালাতে পারবেন, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যেকোনো সময় উচ্ছেদ অভিযান হলে দোকান সরিয়ে নিতে হতে পারে—এ বিষয়টি তিনি জানেন। এরপরও এত বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করে দোকান বসানোর ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে, সৈকতের বালিয়াড়ি ও আশপাশে দোকান বসানোর পেছনে কী পরিমাণ অর্থের লেনদেন হচ্ছে এবং কারা এর সুবিধাভোগী?

ওই ব্যবসায়ীর বক্তব্য থেকে আরও একটি বিষয় সামনে আসে—সৈকতে দোকান বসানোর ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ হচ্ছে, অথচ ব্যবসার স্থায়িত্বের কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফলে এসব দোকান স্থাপন, জায়গা পাওয়া কিংবা পরিচালনার পেছনে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা মধ্যস্বত্বভোগী চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠছে।শুধু দোকানপাট নয়, পর্যটকদের বসার জন্য সৈকতের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট ছাতা ও খাটের মতো কাঠামো বা ‘কিটকট’ বসানো হয়েছে। পর্যটকেরা সেখানে বসে সমুদ্রের ঢেউ দেখেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান কিংবা কিছুটা নিরিবিলি বিশ্রাম নিতে চান। কিন্তু এসব বসার জায়গার আশপাশেও বাড়ছে বাণিজ্যিক চাপ।

পর্যটকদের অভিযোগ, একটি কিটকটে বসার কিছুক্ষণ পরপরই বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ভাসমান হকাররা হাজির হন। কেউ চা, কেউ কফি, কেউ সিগারেট, আবার কেউ ঝালমুড়ি, আচার, ফল, ভাজাপোড়া খাবার কিংবা বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাঁকডাক করতে থাকেন। একজন চলে গেলে আরেকজন আসেন। ফলে সমুদ্রের পাড়ে বসে নিরিবিলি ঢেউ দেখা কিংবা পরিবারের সঙ্গে স্বস্তিতে সময় কাটানোর সুযোগটুকুও অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়।

পর্যটকেরা বলছেন, তারা সমুদ্রসৈকতে শুধু কেনাকাটা করতে আসেন না; প্রকৃতি উপভোগ, পরিবার নিয়ে সময় কাটানো এবং মানসিক প্রশান্তির জন্যও আসেন। ব্যবসায়ীদের জীবিকার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও পর্যটকদের চারপাশে সারাক্ষণ পণ্য বিক্রির চাপ ও হাঁকডাক তাদের স্বস্তি নষ্ট করছে।
সৈকতের বাণিজ্যিক চাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্যানিটেশন সংকট। পর্যটকের তুলনায় পর্যাপ্ত ও ব্যবহারযোগ্য পাবলিক টয়লেট নেই বললেই চলে। কোথাও টয়লেট থাকলেও পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ। ফলে প্রয়োজনের সময় অনেকে খোলা জায়গা ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সৈকতের পরিবেশ নোংরা হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার দুর্বলতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। বিভিন্ন স্থাপনা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বের হওয়া ময়লা পানি নালা-নর্দমার মাধ্যমে সাগরে গিয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি সামুদ্রিক পরিবেশের জন্যও বিষয়টি উদ্বেগের।
সৈকতের ঝাউবাগান নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ। নির্জন ঝাউবাগান ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। সন্ধ্যার পর এসব এলাকায় পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়ে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যা নামার পর ঝাউবাগান ও সৈকতসংলগ্ন কিছু নির্জন এলাকায় মাদক সেবন ও বেচাকেনাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হয়। কিছু এলাকায় ভাসমান যৌনকর্মীদের আনাগোনা ও দেহব্যবসার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত প্রয়োজন। প্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দায়ী করা সমীচীন নয়।এর মধ্যেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে। গত ২৬ আগস্ট কক্সবাজার সৈকতের লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টের মাঝামাঝি এলাকায় গোসল করতে নেমে ইয়াছিন খান নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় ইব্রাহিম খান নামে আরেক পর্যটক নিখোঁজ হন। লাইফগার্ড ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালান।

সৈকতকর্মীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে কক্সবাজার সৈকতে গোসল করতে গিয়ে ২৬ পর্যটকের মৃত্যু এবং আরও দুজন নিখোঁজ হওয়ার তথ্যও সামনে এসেছে। এত প্রাণহানির পর প্রশ্ন উঠছে—দেশের প্রধান এই পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি যথেষ্ট?সরেজমিনে পর্যটকদের একটি অংশের অভিযোগ, সৈকতের বিশাল এলাকার তুলনায় ট্যুরিস্ট পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি খুব বেশি চোখে পড়ে না। কোথাও পুলিশ বা নিরাপত্তাকর্মী থাকলেও পুরো সৈকতজুড়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো পর্যাপ্ত ও দৃশ্যমান তৎপরতা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত নজরদারি, পর্যটকদের সতর্ক করা এবং দুর্ঘটনার সময় দ্রুত উদ্ধার সহায়তা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন পর্যটকেরা।

তবে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিং, টহল ও পর্যটকদের সতর্ক করার কার্যক্রম চালানোর কথা বলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে লাল পতাকা টাঙিয়ে পানিতে নামতে নিষেধ করা হলেও অনেক পর্যটক সেই সতর্কতা অমান্য করেন। ফলে সতর্কবার্তার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।শুধু সমুদ্রস্নান নয়, সৈকতকেন্দ্রিক অন্যান্য বিনোদন কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সম্প্রতি প্যারাসেইলিং করতে গিয়ে পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ফলে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি লাইফগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর—সেটিও নতুন করে পর্যালোচনার দাবি রাখে।

এদিকে বালিয়াড়ি দখলের সঙ্গে ঝাউবাগান দখল ও পরিবেশের ওপর চাপও বাড়ছে। বালিয়াড়ি উপকূলীয় পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় সেখানে স্থাপনা ও অতিরিক্ত বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে। বারবার উচ্ছেদ করে আবার দোকান বসার ঘটনা শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে না, সৈকতের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে।

সব মিলিয়ে কক্সবাজার সৈকতের সংকট এখন আর শুধু দোকানপাটে সীমাবদ্ধ নেই। বালিয়াড়ি দখল, সারি সারি দোকান, অনিয়ন্ত্রিত হকার, কিটকটের বাণিজ্যিক ব্যবহার, স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশন সংকট, ঝাউবাগানকেন্দ্রিক অপরাধের অভিযোগ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে একটি জটিল পরিস্থিতি।

পর্যটনকেন্দ্রের অর্থনীতির সঙ্গে স্থানীয় হাজারো মানুষের জীবিকা জড়িত। তাই ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করাই একমাত্র সমাধান নয়। প্রয়োজন পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা। ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ, বালিয়াড়ি দখলমুক্ত রাখা, কিটকটের সংখ্যা ও অবস্থান নিয়ন্ত্রণ, ভাসমান হকারদের জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়ম তৈরি, পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট স্থাপন, পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং ঝাউবাগানসহ নির্জন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।
একই সঙ্গে বারবার উচ্ছেদের পর দোকান ফিরে আসার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারা দোকান বসাচ্ছে, কীভাবে জায়গা পাচ্ছে এবং এত বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করে ব্যবসায়ীরা কীভাবে অনিশ্চিত জায়গায় দোকান বসাচ্ছেন—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা জরুরি। এর পেছনে কোনো আর্থিক লেনদেন, মধ্যস্বত্বভোগী বা প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

কক্সবাজার শুধু একটি সমুদ্রসৈকত নয়; এটি বাংলাদেশের পর্যটন পরিচয়ের অন্যতম প্রতীক। তাই এখন প্রশ্ন—সারি সারি দোকান, বাণিজ্যিক দখল, অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সংকটের চাপে কি হারিয়ে যাবে কক্সবাজারের সেই অবারিত সৌন্দর্য, নাকি সময় থাকতেই ফিরবে পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও নিরিবিলি সৈকত?

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com