1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
বদলগাছী আধাইপুর ইউনিয়নে জমি জমার বিরোধ নিরসনে চেয়ারম্যানের মজুরি’ ৫০ হাজার টাকা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
অজপাড়া গাঁ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ করার সুযোগ পেলেন হারুয়ালছড়ির এইচ. এম. সাইফুদ্দীন সৌদি আরব রিয়াদে পিরোজপুর জেলা বি এন পি-র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা।নেতৃত্বে মনিরুল-মিরাজ-শহীদুল জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে তারাকান্দাকে হারিয়ে পরের রাউন্ডে মুক্তাগাছা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটমুক্তসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিক জনতার বিক্ষোভ বদলগাছী আধাইপুর ইউনিয়নে জমি জমার বিরোধ নিরসনে চেয়ারম্যানের মজুরি’ ৫০ হাজার টাকা আশুলিয়ায় আলোচিত শিশু তাসিন হত্যার , মূল আসামি গ্রেপ্তার মিরপুর বিআরটিএর মালিকানা বদলি শাখার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ বিজনেস এলিট ক্লাবের নতুন সদস্য সাংবাদিক সালাম মাহমুদ ও হাফিজ রহমান তেল-গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ দয়াগঞ্জে ওরাল কলেরা টিকা খাওয়ানো ক্যাম্পেইন, বিনামূল্যে দুই ডোজ টিকা

বদলগাছী আধাইপুর ইউনিয়নে জমি জমার বিরোধ নিরসনে চেয়ারম্যানের মজুরি’ ৫০ হাজার টাকা

reporter বদলগাছী (নওগাঁ) সংবাদাতা
calendar প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নে পারিবারিক জমি জমার বিরোধ নিরসনে সালিসের নির্ধারিত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ভুক্তভোগীর হাতে পেলেন ১ লাখ টাকা বাঁকি ৫০ হাজার টাকা চেয়ারম্যানের মজুরি’ হিসেবে গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান একেএম রেজাউল কবির পল্টনের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে। এ ঘটনায় অভিযোগকারী নুর ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা বেগম দাবি করেছেন, দুই দিন ধরে সালিসের পর জমির বিরোধ মীমাংসা করেন চেয়ারম্যান এবং জমির অংশ ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর স্বামীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু টাকাটি দেওয়া হয়নি।

তাহমিনা বেগম জানান, গত ১৭ আগস্ট সোমবার ও ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে তাঁদের বাড়ির সামনে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে জমি নিয়ে বিরোধের সালিস বসে। বিরোধ মীমাংসা করেনএবং নুর ইসলামকে জমির অংশ ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা সিদ্ধান্ত নেন।
কিন্তু গত ১৯ আগস্ট বুধবার উক্ত টাকা আধাইপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের কক্ষে দেওয়ার কথা । কিন্ত গত২০ আগস্ট চেয়ারম্যান রাতে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ১ লাখ টাকা দেন। বাঁকি ৫০ হাজার টাকা চেয়ারম্যান নিজের কাছে রেখে দেন বলে জানান ।

তাহমিনা বেগম বলেন, চেয়ারম্যান আমার হাতে ১ লাখ টাকা দিয়েছেন। আর ৫০ হাজার টাকা তিনি রেখে দিয়ে বলেছেন—‘আমরা খেটেছি, আমরা খাব না?সালিসের খরচ বাবদ অপর পক্ষের প্রায় ১৫ হাজার টাকা ব্যায় । স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, নুরে আলম বাবুর পক্ষে মুমিন নামে এক ব্যাক্তি চেয়ারম্যানের কাছে টাকা পৌঁছে দেন।
এদিকে সালিসের আগে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য মাহাতাব আলী প্রামাণিকের বিরুদ্ধেও। তবে বিষয় টি তিনি সরাসরি অস্বীকার করেছেন ।

মাহাতাব আলী প্রামাণিক বলেন, আমার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। টাকা-পয়সার বিষয়ে আমার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। এবং টাকা লেনদেনের সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। তিনি বলেন তারা গরীব মানুষ ভাত হয়না! টাকা কোথায় থেকে দিবে। তারা আমার খুবই পরিচিত।চেয়ারম্যান একেএম রেজাউল কবির পল্টনের বিরুদ্ধে আগেও সালিসের নামে অর্থ নেওয়ার আলোচনা রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী । কয়েক মাস আগে বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের মিষ্টিআলার মোড় এলাকার একটি জমি নিয়ে সালিসে এক পক্ষের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল।

এবং বাল্যবিবাহ সহ বিভিন্ন পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রেও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৯ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। উত্তর আধাইপুর হিন্দুপাড়ায় প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক ও গর্ভধারণের ঘটনায় সালিসে লক্ষাধিক টাকার লেনদেনের অভিযোগও স্থানীয়দের কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

, সালিসের বিরোধ মিটিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ থাকলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত বা সালিসি কার্যক্রমে ‘খাটুনির মজুরি’ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি। অভিযোগের বিষয়ে আধাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম রেজাউল কবির পল্টনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। রাজনৈতিক চক্রান্তে ফাঁসানো । তিনি ৫০ হাজার টাকা নিজের কাছে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

উক্ত বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি লিখিতভাবে কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে গ্রাম আদালতে বিচার করার পর ‘খাটুনির নামে’ মজুরি নেওয়ার কোনো বিধান নেই। এমনটি যদি হয়ে থাকে অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।এলাকাবাসীর বিবেকের আদালতে প্রশ্ন সালিসে নির্ধারিত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে কেন অভিযোগকারীর হাতে দেওয়া হলো ১ লাখ টাকা? বাঁকি ৫০ হাজার টাকার পরিচয় কি,, সেটি কি সত্যিই সালিসের খরচ, না ব্যক্তিগতভাবে গ্রহন বলে মনে করছেন স্থানীয় ইউনিয়ন বাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com