জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট, পটিয়া উপজেলা শাখা। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে পটিয়ার ইন্দ্রপুল এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে পটিয়ার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পটিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য জাফর সাদেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ বদরুল হক। উপজেলা জামায়াতের আমির জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাফর সাদেক বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের মানুষকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার পথে এগিয়ে নেওয়ার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। কিন্তু সেই আন্দোলনের অন্যতম প্রত্যাশা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। শহীদদের আত্মত্যাগ ও আহতদের ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকারকে আন্তরিক হতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলার মাটিতে আর কোনো ফ্যাসিবাদের স্থান হবে না। নতুন করে কেউ যদি ফ্যাসিবাদ কায়েমের অপচেষ্টা চালায়, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক উপায়ে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।” সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সাবেক পৌরসভা জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দীন, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির শেখ মোহাম্মদ আবু নাছের, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা ও জামায়াত নেতা আবুল কালাম, সাবেক ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলম, জামায়াত নেতা আবুল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, শেখ ওমর ফারুক, অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দীন, ফখরুল আজিম, পটিয়া শহর শিবিরের সাবেক সভাপতি মাহবুব উল্লাহ, সেক্রেটারি সাজ্জাদ চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।