1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
নেত্রকোনার কৃষকেরা উদ্বেগ ও সংকটে বন্যার শঙ্কায় হাওরে ধান কাটার ধুম - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী নিম্নচাপ, উপকূলে বৈরী আবহাওয়া ফুলবাড়ীতে ডোবার পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু ডাকবাংলোর পুকুরে ডুবে ঝরল মেধাবী ছাত্রের প্রাণ বোয়ালখালীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, অস্ত্রধারী ৫ জন গ্রেপ্তার খুলনা মহানগর যুবদলের নবগঠিত ৩১টি ওয়ার্ড ও ৩ টি ইউনিয়ন কমিটির পরিচিতি সভায় খালিশপুর থানা যুবদল জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফিলোন ফিড শরীয়তপুর ডিপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত আত্রাই উপ জেলার ভ্রাম্যমান আদালতে মাদক সেবনের অভিযোগে দুইজনকে কারাদণ্ড প্রদান। র‍্যাবের পৃথক অভিযানে কক্সবাজারে হত্যা মামলার আসামি ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার কৃষকেরা উদ্বেগ ও সংকটে বন্যার শঙ্কায় হাওরে ধান কাটার ধুম

reporter প্রান্ত চৌধুরী,নেত্রকোনা
calendar প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ

নেত্রকোনায় আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাসে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অতিবৃষ্টি এবং উজানের পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফসল হারানোর ভয়ে আধা পাকা ধানই কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন স্থানীয় চাষিরা। ডিজেল ও শ্রমিক সংকটের মধ্যেও অনিশ্চয়তা নিয়ে দ্রুত ধান কাটার কাজে নেমেছেন তারা। আবহাওয়া ও বর্তমান পরিস্থিতি: রোববার (২৭ এপ্রিল) সকালে জেলায় হালকা রোদ দেখা গেলেও আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, গত দুদিন হালকা বৃষ্টি হলেও ২৮ এপ্রিল থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সোমেশ্বরী, কংস, ধনু ও উদ্ধাখালীসহ প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে হাওরে ঢুকে পড়তে পারে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, জমিতে ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলে তা ফেলে রাখা এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মাঠ পর্যায়ের চিত্র: স্থানীয় কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি কম হওয়ায় এবং রোপণে দেরি হওয়ায় হাওরের প্রায় অর্ধেক ধান এখনো কাঁচা বা আধা পাকা। খালিয়াজুরীর কৃষক শামছুল হক ও হাশেম আলী জানান, নিচু জমির ধান জলাবদ্ধতায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর ওপর শ্রমিক সংকট ও ডিজেলের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে কম্বাইন হারভেস্টার ব্যবহার করাও সম্ভব হচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ও সরকারি প্রস্তুতি: জেলার খালিয়াজুরি, মোহনগঞ্জ, মদন ও কলমাকান্দার হাওরাঞ্চলে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর জমির বোরো ফসলের ওপর কৃষকদের সারা বছরের ভরণপোষণ ও শিক্ষা-চিকিৎসা নির্ভর করে। উৎপাদিত এই ফসলের বাজারমূল্য প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। ফসল রক্ষায় এ বছর ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩৮ কিলোমিটার অস্থায়ী ডুবন্ত বাঁধ নির্মাণ করা হলেও পানির তোড়ে তা কতটুকু টিকবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন এলাকাবাসী। খালিয়াজুরি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, উপজেলায় ২০ হাজার ২৩২ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়েছে। কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনের পদক্ষেপ: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম জানান, ধনু নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু এলাকার ধানক্ষেতে পানি জমতে শুরু করেছে। মাইকিং করে কৃষকদের সতর্ক করা হচ্ছে এবং ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৮ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা হাওরের বোরো ফসলের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com