জামালপুরের বকশীগঞ্জে দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে ‘নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিক লিমিটেড’। উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় এই কম্পিউটারাইজড ও স্পেশালাইজড স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি শুধু চিকিৎসা সেবায় নয়, বরং এলাকার যেকোনো দুর্যোগ-দুর্দিনে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে।
প্রতিষ্ঠান সূত্রের তথ্যমতে, ঢাকা ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ ও গুণী চিকিৎসকদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত সেবা নিশ্চিত করে আসছে নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার। স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি বন্যা কবলিত এলাকায় শুকনো খাবার বিতরণ, দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান, বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা এবং দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের মতো সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।
নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুরু থেকেই প্রখ্যাত স্পাইন ও অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা. এম আর করিম (রেজা) দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত বকশীগঞ্জের রোগীদের সেবা দিয়ে আসছেন। প্রতি সপ্তাহে ঢাকা থেকে এসে তিনি মুক্তিযোদ্ধা এবং নিম্ন আয়ের রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোগী দেখার ‘সিরিয়াল মেইনটেইন’ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। এ বিষয়ে নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, অধিক রোগীর চাপের কারণে সাময়িকভাবে কিছুটা ত্রুটি হতে পারে, যা সমাধানে ডিরেক্টর বডি ও পরিচালনা পর্ষদ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে অধ্যাপক ডা. এম আর করিম (রেজা) শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও রোগীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে টানা চেম্বার পরিচালনা করেছেন।
রোগীদের সাময়িক ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একইসাথে সিরিয়াল ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল করা এবং সেবার মান শতভাগ নিশ্চিত করতে যেকোনো কঠোর ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “বকশীগঞ্জবাসীর আন্তরিক সহযোগিতাতেই আজকে নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এই পর্যায়ে এসেছে। রোগীদের যেকোনো পরামর্শ ও মতামত আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেবার মান আরও সহজ ও উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।