র্যাব-১৪ , জামালপুরের অভিযানে শেরপুরের নকলা উপজেলার চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি আইনের মামলার আসামি মোঃ এনামুল হককে (৩০) গ্রেফতার করা হয়েছে। জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন দক্ষিন সালনা এলাকা হতে আসামী মোঃ এনামুল হককে গ্রেফতার করেছে সিপিসি-১, র্যাব ১৪, জামালপুর।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ভিকটিম গাজীপুরে তার বড় ভাইয়ের বাসা থাকতো। বিবাদী মোঃ এনামুল হক (৩০) ভিকটিমের সম্পর্কে দুলাভাই হওয়াই একই বাসার পাশাপাশি রুমে ভাড়া থাকে। বিবাদী মোঃ এনামুল হক (৩০) সেভনআপের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে খাওয়ায় অজ্ঞান করে। তারপর ভিকটিমের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতঃ সেটার ভিডিও ধারণ করে। ভিকটিমকে তার ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত ২০/০৩/২০২৫খ্রি. হইতে ২০/০৫/২০২৫খ্রি.পর্যন্ত বিবাদী মোঃ এনামুল হক (৩০) ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। গত ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ভিকটিম তার গ্রামের বাড়ীতে আসলে ঘটনার দিন ০৫/০৬/২০২৫খ্রি. সকাল অনুমান ১১:০০ ঘটিকায় বিবাদী তার ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের বাড়ীতেই পুনরায় ধর্ষণ করে। একাধিক বার ধর্ষণের ফলে ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পরে এবং অন্তঃসত্বা হওয়ার বিষয়টি ভিকটিম তার মাকে জানায়। এ ঘটনার পর ভিকটিমের বাবা শেরপুর জেলার নকলা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৬, তারিখ-১২/০৬/২০২৫ খ্রি. ধারা- ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০২৫) তৎসম ৮(১)/৮(২)পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২। এ ঘটনার পর সিপিসি-১, র্যাব-১৪, জামালপুর ক্যাম্প ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করে।
এরই প্রেক্ষিতে, সিপিসি-১, র্যাব-১৪, জামালপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ২৩ জুলাই ২০২৫ খ্রি.সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকায় সিপিএসসি, র্যাব-১, পোড়াবাড়ী গাজীপুর এর সহায়তায় জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন দক্ষিন সালনা এলাকা হতে শেরপুর জেলার নকলা থানার ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি মামলার আসামী মোঃ এনামুল হককে (৩০) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য শেরপুর জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৪ , জামালপুরের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ টি এম আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।