কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হাঁড়িসর্দার এলাকার নোয়াপাড়ায় অবস্থিত JMI Syringes & Medical Devices Limited-এর শ্রমিক আন্দোলন ৩য় দিনে গড়িয়েছে।
গত সোমবার থেকে ২০২৪ সালে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, যখন-তখন নিয়ম বহির্ভুতভাবে শ্রমিক ছাটাই বন্ধ এবং কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলাউদ্দিন, উৎপাদন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রেদোয়ান, শংকর ও জসিমের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কারখানার প্রধান ফটক অবরুদ্ধ করে আন্দোলন শুরু করে কারখানা শ্রমিকরা।
কারখানা কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইলে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ হোসাইনের নেতৃত্বে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং উভয় পক্ষের সম্মতিতে ২৮ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১০টা আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধানের আশ্বাসে শ্রমিকরা আন্দোলন কর্মসূচী মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত স্থগিত করেন।
গতকাল ২৮ জুলাই দফায় দফায় আলোচনার এক পর্যায়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ৮জন কর্মসূচী প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও বাকি শ্রমিকরা সকল দাবি পূরণ না করার অভিযোগ তুলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে।
বেলা ১১ টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাৎ হোসেনের উপস্থিতিতে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ, হাইওয়ে থানা পুলিশ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ এবং দাঙ্গা পুলিশের সহায়তায় শ্রমিকরা মহাসড়ক থেকে নেমে পূনরায় কারখানার প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিক্ষোভ করে।
চলমান আন্দোলনের মধ্যে আজ ২৯ জুলাই বুধবার কতিপয় শ্রমিক কাজে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করলেও শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে এলাকা ছাড়া করাসহ বিভিন্ন প্রদানের অভিযোগে শ্রমিকরা ৩য় দিনের মতো কারখানার মূল ফটক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চৌদ্দগ্রাম থানা ওসি তদন্ত মো: গুলজার আলমের নেতৃত্বে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ, হাইওয়ে থানা পুলিশ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ কাজ করছে।
চলমান ঘটনায় এখনও এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।