ময়মনসিংহ সদরে ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের আগামি দিনের নেতৃত্ব নিয়ে ইউনিয়ন জুরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিশেষ করে রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত মুঞ্জুরুল হক মুনজুকে কে ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে ঘাগড়া ইউনিয়নের সমীকরণ।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, ত্যাগের মহিমা এবং সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক এবং একজন উন্নয়নবান্ধব নেতা হওয়ার কারণে ইউনিয়নবাসী তাকে আগামীতে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার দাবি তুলছেন। যিনি নির্বাচিত না হয়েও স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিশ্বস্ত আস্থাভাজন হিসাবে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
ইতিমধ্যেই মুঞ্জুরুল হক মুনজু ঘাগড়া ইউনিয়নের উন্নয়নে জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দের বরাদ্দকৃত অর্থ হইতে দীর্ঘদিনের অবহেলিত সুহিলা ছমে মোড়লের বাশতল হইতে কাটাখালপার রাস্তাটি ইটের সলিং কাজ,জামিয়া মোহাম্মাদিয়া তাহজিবুল কুরআন মাদ্রাসা” সুতিয়ার পাড় রাস্তাটি ইটের সলিং কাজের উদ্বোধনসহ বেশ কয়েকটি অবহেলিত রাস্তার উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করে ইউনিয়নবাসীর কাছে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে উঠেছেন
মুজরুল হক মুনজু ঘাগড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সুহিলা গ্রামের বাসিন্দা রাজনীতিতে এক অনন্য নাম। তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া এক জনবান্ধব ও তরুণ রাজনীতিবিধ। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে তিনি সাবেক রাষ্ট্র নায়ক শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তায়নে দেশ নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ মোতাবেক সরকারের সকল ধরনের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে ইউনিয়নকে একটি মাদকমুক্ত আধুনিক ও সুখী সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন। ঘাগড়ার গণমানুষের সমর্থন নিয়ে আগামী দিনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের দিকনির্দেশনা মোতাবেক সকল প্রকার সেবাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চান মুঞ্জুরুল হক মুনজু।
তিনি ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির বাববার নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ছাত্র নেতা। তিনি দলের দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ব্যাপক ভূমিকা রেখে মিথ্যা মামলায় হয়রানিসহ নির্যাতন সহ একাধিক বার কারা ভোগ করেন। তবুও পিছ পা না হয়ে দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি অবিচল থেকে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, পদের চেয়ে আদর্শই তার কাছে বড়। মুঞ্জুরুল হক মুনজু কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ও কোতোয়ালি থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে তাকে সবসময় পাশে পাওয়া যায়।এছাড়া অসংখ্য সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে তিনি মানবিক সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।ঘাগড়া ইউনিয়নের বিএনপির দলীয় রাজনীতির ইতিহাসে মুঞ্জুরুল হক মুনজুর অবদান অনস্বীকার্য। ছাত্রজীবন থেকে দীর্ঘ সময় বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বে থেকে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিয়েছেন তিনি।বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার দলীয় কার্যক্রমে আতঙ্কিত হয়ে তাকে চরম দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মুখেও তিনি আপসহীন থেকেছেন।
ঘাগড়া ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে মুনজুর মতো অভিজ্ঞ ও সৎ নেতার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা-সবখানেই এখন একই দাবি, ‘তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতাকেই ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চাই।’
এলাকার বাসিন্দারা জানান, “তিনি কেবল একজন নেতাই নন, তিনি আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেলে ঘাগড়া ইউনিয়ন একটি আধুনিক ও মানবিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠবে।
একাধিক সুত্র জানিয়েছেন মুঞ্জুরুল হক মুনজু দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ায় সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, বন্যা-খরায় ইউনিয়নবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। যার ফলে এলাকার সাধারণ লোকজনও আগামীতে তাকে একজন প্রতিনিধি হিসেবে চাচ্ছেন।
মানুষের এই চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে তিনিও একজন সেবক হিসেবে জনগণের পাশে থাকার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে স্থানীয়দের কাছে সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব একজন যুবক হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেছেন তিনি।এ প্রসঙ্গে মুঞ্জুরুল হক মুনজু বলেন, এলাকার গন্যমান্য ও প্রবীণ মুরব্বি এবং সাধারণ লোকজন তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আহ্বান করেছেন। মানুষের আগ্রহের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনিও সম্মত হয়েছেন। মানুষের সমর্থন এবং মহান রবের হুকুমে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে আমার শ্রদ্ধাভাজন নেতা ও ময়মনসিংহ-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ সাহেবের নেতৃত্বে সরকারের বরাদ্দকৃত সকল সুযোগ-সুবিধা সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবো ইনশাআল্লাহ ।
এছাড়াও সবাইকে সাথে নিয়ে অবহেলিত ও পিছিয়ে থাকা এই সরিকল বাসীর কল্যাণে কাজ করবেন তিনি। জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে প্রতিনিধি নয়, একজন দায়িত্বশীল সেবক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান মুঞ্জুরুল হক মুনজু।
এদিকে তরুণ ও উদ্যমী প্রার্থী হিসেবে মুঞ্জুরুল হক মুনজু নির্বাচিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই।