1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
খুলনা কেপিসিএলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ ও বিক্রি কর্মহীন শতাধীক কর্মকর্তা - কর্মচারী, পাওনা আদায়ে শ্রম আদালতে মামলা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
এআই নতুন প্রজন্মকে অলস করে তুলছে দিনাজপুরের বিরামপুরে আরতি হাঁসদার মায়ের মৃত্যুতে আদিবাসী পার্টির নেতৃবৃন্দের গভীর শোক খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী হুমার সহযোগী এমদাদুল হাওলাদার ওরফে জিহাদ গ্রেফতার আমরা বেদায়াত, কুফর ও বাতিলের বিরুদ্ধে ; এদের সাথে আমাদের কোনো আপোষ নাই -ছারছীনার পীর ছাহেব আমনের মৌসুমে স্বস্তি: মোহনপুরে আউশ ধান পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা প্রিয় উত্তম স্যার আর নেই: শোকস্তব্ধ মনিরামপুর ডিগ্রি কলেজ বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কাশিমপুরে জমজমাট চোরাই তেলের কারবার রাজশাহী জেলা পুলিশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও ৪টি ক্লাব গঠনের নির্দেশ

খুলনা কেপিসিএলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ ও বিক্রি কর্মহীন শতাধীক কর্মকর্তা – কর্মচারী, পাওনা আদায়ে শ্রম আদালতে মামলা

reporter মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো
calendar প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ

কেপিসিএলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলো বন্ধ ও বিক্রি হয়ে যাওয়ার ফলে কোম্পানির কর্মকর্তা – কর্মচারীদের একটি বড় অংশ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। চাকুরিচ্যুত কর্মচারীদের দাবি, দীর্ঘ দিন কোম্পানিতে চাকরি করার পর প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলো বন্ধ ও বিক্রি করে দেওয়ায় তারা চাকুরি হারিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের বিভিন্ন ধরনের আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য চাকুরিচ্যুত কর্মচারীরা কোম্পানির বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে দায়ের করা মামলাটির নম্বর শ্রম – ৬৮ /২০২৫। জানাগেছে, খুলনার কাশিপুর – দৌলতপুর এলাকায় স্থাপিত ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের বেসরকারিখাতের অন্যতম পুরানো বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইউনাইটেড গ্রুপ ও সামিট গ্রুপ যৌথ মালিকানায় কেপিসিএল নামে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১১ সালে ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও (ঐঋঙ) চালিত কেপিসিএল ইউনিট- ২ স্থাপন করা হয়। একই বছরে সহযোগী প্রতিষ্ঠান কেপিসিএলের নিজস্ব জমিতে যশোরের নওয়াপাড়া শিল্প এলাকায় ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও একটি এইচএফও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে এই দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করে বিদেশি একটি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে। এছাড়া ২০২১ সালে পটুয়াখালীতে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনাইটেড পায়রা পাওয়ার লিমিটেড ( ইউপিপিএল) এইচএফও বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়। ঔই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩৫ শতাংশ শেয়ার কেপিসিএলের মালিকানাধীন বলে জানাগেছে। ২০০৯ সালে কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ঢাকা ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি জালানি তেল, বিশেষ করে এইচএফও ( ঐবধ্য ঋবষ ঙরষ) ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিক্রয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। তবে ২০২২ সালে খুলনার খালিশপুরের কাশিপুর – দৌলতপুর এলাকায় অবস্থিত ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ করে বিদেশি একটি কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হয় বলে জানাগেছে। এরপর ২০২৪ সালে ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও চালিত কেপিসিএল ইউনিট- ২ এবং যশোরের নওয়াপাড়ায় অবস্থিত ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কার্যক্রম ও সম্পুর্ন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটিও বিদেশি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। চাকরিচ্যুত কর্মচারীদের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করার পর হঠাৎ করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম বন্ধ এবং বিক্রি করে দেওয়ার কারনে তারা কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অনেক কর্মচারী বর্তমানে পরিবার- পরিজন নিয়ে আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের দাবি, চাকুরির মেয়াদ অনুযায়ী প্রাপ্য বেতন – ভাতা, ক্ষতিপুরনসহ অন্যান্য আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা হোক। এবিষয়ে কেপিসিএল এর অপারেশন্স মেইনটেনেন্সের দায়িত্বে থাকা মাশিউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার যতদুর জানা কোম্পানি সবার টাকা পরিশোধ করেছে। তবে এ বিষয়ে হেড অফিসে ফিনান্স শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন। এরপর হেড অফিসের চীফ ফিনান্স অফিসার মামুন সরোয়ার বলেন, মামলা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। শ্রমিকদের এবং অফিসারদের সবারই পাওনা বুঝিয়ে দিয়েছে কোম্পানি। এখন যদি কেউ পাওনা থাকে হেড অফিসে অভিযোগ করলে তাকে তার ন্যায্য পাওনা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তবে শ্রম আদালতে মামলার কিছুই জানেন তিনি। শ্রমিকদের প্রত্যাশা, শ্রম আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত নিস্পত্তি করে এবং কোম্পানির কাছে থাকা তাদের ন্যায্য পাওনা সমুদয় টাকা আইন অনুযায়ী পরিশোধ করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com