মোঃ লতিফুর রহমান (লতিফ), স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ শাসনামলে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ক্রয় কৃত বাড়ি ফিরে পাওয়ার জন্য আর্তনাদ মনির নামে এক জয় ব্যক্তি সম্পর্কে আত্মীয় হন দীর্ঘ ১৬ বছর হয়ে গেল মিন্টু নামের জনক ব্যক্তি সেউজ গাড়ি এলাকায় দুই সন্তানের নামে বাড়ি লিখে দেন পাপ্পু এবং অ্যাপোলো, পাপ্পু এবং অ্যাপোলো তাদের নামের বাড়িটি ক্রেতা মনির নামে একজন ক্লিনিকের মালিক বাড়িটি ক্রয় করেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে মুন্নি নামে নেত্রী বাড়িতে জোর করে আটকিয়ে রাখেন দীর্ঘ ১৬ বছর মনির নামে সেই লোকটির উপর প্রশাসন এবং আওয়ামী লীগের বড় নেতৃবৃন্দ ক্ষমতায় বহুবার তাকে অত্যাচারী হতে হয়। আল্লাহ পাকের রহমতে অত্যাচারী নেতার দেশত্যাগের পরে মনির নামে জৈনক ব্যক্তি বাড়িটি দখল করে নেন স্থানীয় বাসিন্দারের সহযোগিতায় এর আগে কোর্টের কেস করেছে আওয়ামী লীগের নেত্রী মুন্নি বাড়িটি হাতে ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য চলমান রয়েছেন, এদিকে দেখা যাচ্ছে যে মনির নামের জৈনক ব্যক্তি বাড়িটি দখল নেওয়ার পরে আওয়ামী লীগের নেত্রী মুন্নি তার ছেলে সন্তানের সহযোগিতায় কিছু স্টুডেন্ট সংগ্রহ করে বাড়িটি আবার দখলে নেয় এর মধ্যে আর্মি প্রশাসন এসে নির্দেশ দিয়ে যান যার কাগজ সঠিক থাকবে সেই বাড়ির মালিক হবে জৈনক ব্যক্তি মনির দফায় দফায় ক্রয় কৃত বাড়ির দলিল শো করলেও তা বুঝার ভুল অনেকেই তা মেনে নিতে চাচ্ছে না। কিন্তু আবার দেখা গেল মনের কিছু ছাত্র সংগ্রহ করে বাড়িটি দখল নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আওয়ামী লীগের নেত্রীর বাড়িতে কিছু মালামাল উঠিয়ে দখল নিয়ে ছিল সেগুলি রাতের আঁধারে সব বাইরে বের করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেত্রীর খবরে পরিশেষে আর্মি এসে দুই পক্ষের ভাগ বিতান্ডের একটি সিদ্ধান্ত নেয় বাড়িতে কেউ উঠতে পারবেনা, ওঠে কি চলাকালীন যে আপনার রায় পাবে সে প্রকৃতি এই বাড়ির মালিক হবে। বেচারাম মনির দীর্ঘ ১৬ বছর অপেক্ষার পরেও কেন বাড়ি ফিরে পাচ্ছে না সবার কাছে একটি আকুল আবেদন, ১৬ বছর অন্যায় আবদার রাজত্ব কায়েম হয়েছে এদেশে কথাটি কার অজানা আছে কেন এখন মুন্নী এই সময়ে এত জোর খাটাতে পাচ্ছে কি করে সবার দেখার বিষয় রয়েছে। এদিকে দেখা গেল পাশের বাড়ির একজন মুন্নির বাড়ির প্রাচীর সঙ্গে তার দেওয়ার লাগার কারণে মুন্নির ছেলে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে মামুন নামে ব্যক্তি কে ধাওয়া করেন। বর্তমান বগুড়া সেউজগাড়ীতে আওয়ামী লীগের নেত্রীর মুন্নির বাড়ি নিয়ে এলাকার লোকজন অশান্তি বিরাজ করছেন।