মহাদেবপুর উপজেলায় প্রতিবেশীর বাড়িতে একটি ছাগলের বাচ্চা ঢুকে পড়াকে কেন্দ্র করে নৃশংসতার অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব বিরোধের জেরে ছাগলের বাচ্চাটির পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগের পর ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি উপজেলার হাতুর ইউনিয়নের চকচকি দুর্গাপুর গ্রামে গত রোববার বিকেলে ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার মহাদেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর ছোট ভাই মো. হারুন হোসেন।
আহতরা হলেন—চকচকি দুর্গাপুর গ্রামের মো. ভিকুতুল্লাহ, তার ছেলে মো. ফারুক হোসেন এবং ফারুকের স্ত্রী মোছা. ঋতু।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে ফারুক হোসেনের একটি ছাগলের বাচ্চা প্রতিবেশী মোস্তাকিমের বাড়িতে চলে যায়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে মোস্তাকিম ধারালো বটি দিয়ে ছাগলের বাচ্চাটির একটি পায়ের রগ ও গোড়ালির অংশ কেটে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ছাগলের বাচ্চাটির আর্তচিৎকার শুনে ফারুকের স্ত্রী ঋতু ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাণীটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, তখন মোস্তাকিমকে হাতে বটি নিয়ে ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তিনি বিষয়টি স্বামীকে জানালে ফারুক হোসেন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনার কারণ জানতে মোস্তাকিমের খলিয়ানে যান।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে মোস্তাকিম, মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে দুলাল হোসেন, বেলাল হোসেনের ছেলে নুর আলম, মোস্তাকিমের বোন মুনি ও তার স্ত্রী শিমুসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় ফারুক, তার স্ত্রী ঋতু ও বাবা ভিকুতুল্লাহকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
এ বিষয়ে মহাদেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।