1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ভাঙা ঘরেই বিধবা সুখিতনের একাকী জীবন, নেই স্বামী- স্বজন - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে সরকার: ভূমিমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভা  উজানের ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, খুলে দেওয়া হলো ৪৪ জলকপাট চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে পানিসম্পদ মন্ত্রীর মতবিনিময় কাজিরহাট জমি সংক্রান্তবিরোধীদের জেরে হত্যার উদ্দেশ্যে ২জনকে কুপিয়ে যখম জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ভাঙা ঘরেই বিধবা সুখিতনের একাকী জীবন, নেই স্বামী- স্বজন ১২টা মাদ্রাসার এতিমদের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ লোকমান হুজুরের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচরে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬”উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি বিশেষ অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ভাঙা ঘরেই বিধবা সুখিতনের একাকী জীবন, নেই স্বামী- স্বজন

reporter মোঃ ইয়াছিন আলী, সিরাজগঞ্জ
calendar প্রকাশিত: ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ

স্বামী নেই, সন্তানও নেই। জীবনের শেষ বয়সে এসে ভাঙাচোরা ঘরই সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হরিণাহাটা গ্রামের বিধবা সুখিতনের একমাত্র আশ্রয়। বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতর পানি পড়ে, ঝড় এলে কাটে আতঙ্কে রাত। নিরাপদ একটি ঘরের আকুতি নিয়ে মানুষের সহযোগিতার অপেক্ষায় দিন কাটছে অসহায় এই নারীর।
স্থানীয় সূত্র ও সুখিতনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মৃত মহেজ উদ্দিনের স্ত্রী সুখিতন দীর্ঘদিন ধরে একাকী জীবনযাপন করছেন। স্বামীকে হারিয়েছেন অনেক আগেই। নেই কোনো ছেলে সন্তানও। আপনজন বলতে তেমন কেউ না থাকায় নিজের কষ্ট নিজেকেই সামলাতে হচ্ছে তাকে।
সুখিতনের বসতঘরটির অবস্থাও অত্যন্ত জরাজীর্ণ। ঘরের বেড়া ও ছাউনি নষ্ট হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাউনি দিয়ে পানি পড়ে ঘরের ভেতর। বর্ষাকালে ভেজা মেঝে ও বিছানায় কষ্ট করে থাকতে হয় তাকে। ঝড়-বৃষ্টির সময় ঘরের কোনো অংশ ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে রাত কাটাতে হয়।
অভাব-অনটনের কারণে ঘরটি মেরামত করাও সম্ভব হচ্ছে না সুখিতনের। বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় আগের মতো কাজ করার সামর্থ্যও নেই। দৈনন্দিন খাবার ও প্রয়োজনীয় খরচ জোগাড় করতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে একটি নতুন ঘর নির্মাণ তার কাছে যেন অধরা স্বপ্ন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুখিতন বলেন, “স্বামী নেই, ছেলে সন্তানও নেই। এই ভাঙা ঘরেই কষ্ট করে থাকি। বৃষ্টি হলে ঘরের মধ্যে পানি পড়ে। কেউ যদি আমাকে একটা ভালো ঘর করে দিত, তাহলে শেষ বয়সে একটু শান্তিতে থাকতে পারতাম।”
সুখিতনের চাওয়া খুব বেশি নয়। জীবনের শেষ সময়টুকু নিরাপদে কাটানোর জন্য চান শুধু একটি থাকার উপযোগী ঘর। তার এই অসহায়ত্বে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এলে শেষ বয়সে একটু স্বস্তি ফিরতে পারে তার জীবনে।
ভাঙা ঘরের প্রতিটি দিন যেন সুখিতনের কাছে এক নতুন সংগ্রাম। তাই তার নিরাপদ আশ্রয়ের আকুতি এখন মানবিক সহযোগিতার অপেক্ষায়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com