1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
বাগেরহাটে জননিরাপত্তা আইনে মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন এমপি সেলিম - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন ৪ দফা দাবিতে ইস্টার্ন রিফাইনারি শ্রমিকদের টানা বিক্ষোভ, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

বাগেরহাটে জননিরাপত্তা আইনে মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন এমপি সেলিম

reporter নেয়ামুল হাদী রানা, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি 
calendar প্রকাশিত: ২ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:০২ অপরাহ্ণ

বাগেরহাটে দীর্ঘ ২ যুগ পর হয়রানি মূলক মামলায় অব্যাহতি পেলেন জেলা
বিএনপির সাবেক সভাপতি ও এমপি এমএএইচ সেলিম। মঙ্গলবার(৩০ সেপ্টেম্বর)
দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুর সবুর এর আদালতে হাজির
হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সেলিমসহ ১৩
আসামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন। আদালত সূত্রে জানাযায়, ২০০১
সালে রেলরোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সেলিমসহ
৩০-৩৫ জনের নামে নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৫
জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আসামিপ¶ের আইনজীবী
শেক নুরুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় ইতিপূর্বে জেলা বিএনপির ২ জন সাবেক
সাধারন সম্পাদক শামসুল আলম তালুকদার ও অধ্যাপক আলী রেজা বাবু মৃত্যু বরন
করায় তাদের ২জন বাদে এমএএইচ সেলিমসহ ১৩ জন আসামি ছিলেন। ২০০১ সালের
জননিরাপত্তা আইনের মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে স্থগিত অবস্থায় ছিল।
অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত- ১ আজ (মঙ্গলবার) পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে এই
মামলার দায় থেকে আসমীদের অব্যাহতি প্রদান করেন। এম এ এইচ সেলিম বলেন,
দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। নিরপে¶ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত
মামলা থেকে আমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও
আয়না ঘরে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে
পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। দল যদি আমাকে আবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব। এমএএইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬
সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৯৮
সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com