1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদ, পরে ব্ল্যাকমেইল — সুমাইয়া পিয়ার প্রতারণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাজীপুরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদ, পরে ব্ল্যাকমেইল — সুমাইয়া পিয়ার প্রতারণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

reporter নেত্রকোনা প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় ফেসবুকে ভুয়া পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত জাফর আলীর মেয়ে সুমাইয়া আক্তার পিয়া ফেসবুকে “তানহাস পিয়া” নামে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি চাকরিজীবী ও সহজ-সরল তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করে তাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
একই গ্রামের সুমন মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, সুজন মিয়াসহ পাশের চরপাড়া ও ঘাগড়া এলাকার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় নানা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে এলাকার সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।
সরেজমিনে ভিডিও সাক্ষাৎকারে অভিযোগকারী সুমন মিয়া ও আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সুমাইয়া আক্তার পিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবী ছেলেদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে বিয়ের কথা বলে চাপ সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে নানা অজুহাতে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়। এতে কেউ কেউ লক্ষাধিক টাকা হারানোর পাশাপাশি মান-সম্মানের ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া পিয়া একসময় মাদ্রাসায় পড়ালেখা করলেও নিজেকে কখনো দাখিল বা দাইরা পাশ, আবার কখনো অনার্সে অধ্যয়নরত বলে পরিচয় দেন। তার বাবা মৃত জাফর আলী কৃষিকাজ করতেন বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেন সেটি এক সনাতন ধর্মাবলম্বী কলেজ শিক্ষকের নামে নিবন্ধিত বলেও এলাকাবাসী দাবি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, কয়েক মাস আগে নেত্রকোনা পৌর এলাকার এক সেনা সদস্যের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে গিয়ে অবস্থান নেন সুমাইয়া পিয়া। পরে দুই পরিবারের আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি তদন্ত সংস্থার সদস্যদেরও এলাকায় আসতে দেখা গেছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুমাইয়া আক্তার পিয়া বলেন, “তার সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল, কিন্তু বিয়ে হয়নি। পরে আমার পরিবারের লোকজন আমাকে ওই সেনা সদস্যের বাড়ি থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে।”
এদিকে স্থানীয় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় অস্থিরতা ও বদনাম ছড়াচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি সুমাইয়া আক্তার পিয়া ওরফে তানহাস পিয়ার অভিভাবকদেরও বিষয়টি দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com