অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও কেসিসির বাজেটে নতুন কোন করারোপ করা হয়নি। চলতি অর্থ বছরে ৭১৯ কোটি ৫০ লাখ ৩৬ হাজার টাকা বাজেটের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যেই অধিকাংশ অর্থ দাতা সংস্থার উপর নির্ভরশীল। গত অর্থ বছরের সংশোধিত আাজেট দাড়িয়েছে ৬শ ১৮ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৮১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আজ ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় কর্পোরেশনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে চলতি অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ফিরোজ সরকার বাজেট ঘোষণা করেন। গত চার বছরে নতুন কোন প্রকল্প না থাকা আর পুরাতন প্রকল্প গুলোও চলতি বছর শেষ হওয়ার পথে থাকায় এবার বাজেটের আকার ছোট। এক বছরের ব্যবধানে বাজেটে উন্নয়ন বরাদ্দ কমেছে প্রায় ২৬০ কোটি টাকা। তবে নতুন করে বড় একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। কেসিসিতে তিনটি বিভাগকে গুরুত্ব দিয়ে এবার প্রস্তাবিত বাজেট তৈরি করেছে। বিভাগ গুলো হলো – কনজারভেন্সি বিভাগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত ও উন্নয়ন এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন নামে প্রকল্প দুটি ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে অনুমোদন হয়। প্রায় ১ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে এ দুটি প্রকল্প। এর মধ্যে সড়ক মেরামতের প্রকল্পটি গত অর্থ বছরে শেষ হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পটি ও শেষ হচ্ছে চলতি অর্থবছরে। ২০২১ সালে অনুমোদন হওয়া কেসিসি বর্জ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পও চলতি অর্থবছরে শেষ হচ্ছে। কেসিসির হিসাব শাখা সুত্রে প্রকাশ, কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় দিয়ে কমকর্তা, কর্মচারীদের বেতন – ভাতা এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উন্নয়ন কাজের পুরোটাই আসে প্রকল্পের অনুকুলে সরকারি বরাদ্দ এবং দাতা সংস্থার অনুদান থেকে। ফলে নতুন কোন প্রকল্প অনুমোদন না হলে উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ পাওয়া যাবে না। সরকারি প্রকল্প কমে যাওয়ায় অর্থ বরাদ্দও কমছে। এজন্য বাজেটের আকার ছোট হচ্ছে। চলতি বছরের বাজেট হবে বাস্তবভিত্তিক। বাজেট ঘোষণা কালে ২৪শের শহিদ সাকিব রায়হানের পিতা ও মাতা নুরুন্নাহার বেগম, সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনির,প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান, বাজেট অফিসার মো: মনিরুজ্জামান, চীফ প্লানিং অফিসার ( চলতি দায়িত্বে) আবির উল জব্বার, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, বাজেট কাম একাউন্ট অফিসার মে: মনিরুজ্জামান, প্রধান রাজস্ব অফিসার রহিমা সুলতানা বুশরা, নগর বিএনপি সভাপতি এ্যাড: শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, নগর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল, নায়েবে আমির মো: নজিবুর রহমান সরদার, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, নারী নেত্রী বেগম রেহানা আক্তার, জুলাই যোদ্ধা সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি, মাহাদী হাসান সীন এবং কেসিসি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গন, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।