দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ট্যাক্স বার, “ঢাকা ট্যাকসেস্ বার এসোসিয়েশন” এ দীর্ঘ ৮ বছর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে । বিগত ৮ বছর এই আইনজীবী বারে বিনা নির্বাচনে কমিটি গঠন করা হতো। অথচ আইনজীবীদের প্রত্যক্ষ ভোটে এই বারের কমিটি গঠন হওয়ার নিয়ম বিদ্যমান, যা কিনা বহু বছর ধরে চলমান ছিল। চলতি ২০২৬ সালে “জাতীয় নাগরিক পার্টি” (NCP) সমর্থিত “ন্যাশনাল ট্যাক্স ল’ইয়ারস অ্যালায়েন্স (NTLA)” “লাল সবুজ প্যানেল”, বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর “সবুজ প্যানেল” এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) “নীল প্যানেল” এই তিনটি দলের সমর্থিত তিনটি পৃথক প্যানেল এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে।
এই নির্বাচনে বিএনপির সমর্থিত জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম পুর্ণ ২২টি পদে প্রার্থী দিয়ে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম ২টি সহ-সভাপতি ব্যতীত অবশিষ্ট ২০টি পদে প্রার্থী দিয়ে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
এছাড়া, নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) সমর্থিত ন্যাশনাল ট্যাক্স লইয়ার্স অ্যালায়েন্স (NTLA) এই নির্বাচনে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে কার্যনির্বাহী পদ সহ মোট ১১টি পদে প্রার্থী এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছে। BNP সমর্থিত নীল প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন সভাপতি প্রার্থী মোঃ মিজানুর রহমান (দুলাল) জামাতে ইসলামী সমর্থিত সবুজ প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন সভাপতি প্রার্থী মোঃ গোলাম নূর (তরুণ)।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (NTLA) সমর্থিত সদ্য গঠিত “ন্যাশনাল ট্যাক্স লইয়ার্স অ্যালায়েন্স” এর নেতৃত্বে ছিলেন এই নির্বাচনের সহ সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আবু মুসলিম বিন হাই। তিনি NTLA কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক। এই নির্বাচন ২২ এপ্রিল ও ২৩ এপ্রিল দুই দিনে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে BNP সমর্থিত মোঃ মিজানুর রহমান নেতৃত্বে গঠিত নীল প্যানেলের ২২টি পদের মধ্যে ২২টিতেই জয়লাভ করেছে। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মোহাম্মদ গোলাম নূর (তরুণ) নেতৃত্বাধীন সবুজ প্যানেল এবং জাতীয় নাগরিক (NCP) সমর্থিত লাল সবুজ প্যানেলের কোন পদেই জয় লাভ করতে পারে নাই।