1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
তারাগঞ্জে কাবিটা প্রকল্পের ৩.৮২ লাখ টাকা উত্তোলন হলেও রাস্তার কাজ হয়নি, নতুন করে আবারো ২ লাখ টাকা বরাদ্দ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
খানজাহানআলী মাজারের সেই কুমিরটিকে সরিয়ে আনা হয়েছে খুলনায় টিআর-এর রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, পুরনো ইট বিক্রির বিষয় তদন্তের দাবি মেয়ের জীবন বাঁচাতে কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, বাধা অর্থসংকট শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ কুষ্টিয়ায় মাদকাসক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ উপজেলা প্রশাসন, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহের আয়োজনে উপজেলা বিজিসিসি (Block Grant Co-ordination Committee) কমিটির অনুষ্ঠিত হয় শ্রীনগরে ইসলামি আন্দোলনের উপজেলা তৃণমূল দায়িত্বশীল সদস্য তারবিয়াত অনুষ্ঠিত খুলনা ডিবির অভিযানে গ্রেনেড বাবুর সহযোগী সহ আটক ৪, মাদক ও চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার মাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জামিনে বেরিয়েই বাদী-সাক্ষীসহ ৭ জনকে কুপিয়ে জখম ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়াকে নতুন উপজেলা ঘোষণা, মির্জা ফখরুলকে রুহিয়াবাসীর অভূতপূর্ব গণসংবর্ধনা

তারাগঞ্জে কাবিটা প্রকল্পের ৩.৮২ লাখ টাকা উত্তোলন হলেও রাস্তার কাজ হয়নি, নতুন করে আবারো ২ লাখ টাকা বরাদ্দ

reporter মোঃ সামিউল মন্ডল সোহাগ, তারাগঞ্জ (রংপুর)
calendar প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ

রংপুরের তারাগঞ্জে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় খারুভাঁজ জামে মসজিদ থেকে সেন্টারের হাট হয়ে নদীর ব্রিজ পর্যন্ত ১৮০ মিটার রাস্তা সংস্কার ও BFS করণ কাজে। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য আবেদ আলী কাজ না করেই তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামকে ম্যানেজ করে দুই কিস্তিতে পুরো টাকা উত্তোলন করেন।
অভিযোগকারী এরশাদ আলী জানান, কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এক বছর পার হলেও কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একই এলাকায় আবারো ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উপজেলা উন্নয়ন তহবিল থেকে। শিথিল শিহরী এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নদীর ব্রিজের নিকট প্রায় ৭০-৭৫ মিটার রাস্তার সলিং করণ কাজ সম্পন্ন করেছে। তবে নজির হোসেনের বাড়ি থেকে ছকিমুদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১০০ মিটার রাস্তার কোনো কাজ হয়নি।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এর আগেও আবেদ আলী মসজিদের নামে বরাদ্দ পাওয়া ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, যা পরে ফেরত দেওয়া হয়। এবারের রাস্তা প্রকল্পেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
প্রকল্প সভাপতি আবেদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হারুন-উর-রশিদ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন বলেন, “আমি আসার আগেই বরাদ্দ হয়েছে। বিষয়টি দুঃখজনক, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com