রংপুরের তারাগঞ্জে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় খারুভাঁজ জামে মসজিদ থেকে সেন্টারের হাট হয়ে নদীর ব্রিজ পর্যন্ত ১৮০ মিটার রাস্তা সংস্কার ও BFS করণ কাজে। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য আবেদ আলী কাজ না করেই তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামকে ম্যানেজ করে দুই কিস্তিতে পুরো টাকা উত্তোলন করেন।
অভিযোগকারী এরশাদ আলী জানান, কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এক বছর পার হলেও কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একই এলাকায় আবারো ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উপজেলা উন্নয়ন তহবিল থেকে। শিথিল শিহরী এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নদীর ব্রিজের নিকট প্রায় ৭০-৭৫ মিটার রাস্তার সলিং করণ কাজ সম্পন্ন করেছে। তবে নজির হোসেনের বাড়ি থেকে ছকিমুদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১০০ মিটার রাস্তার কোনো কাজ হয়নি।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এর আগেও আবেদ আলী মসজিদের নামে বরাদ্দ পাওয়া ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, যা পরে ফেরত দেওয়া হয়। এবারের রাস্তা প্রকল্পেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
প্রকল্প সভাপতি আবেদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হারুন-উর-রশিদ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন বলেন, “আমি আসার আগেই বরাদ্দ হয়েছে। বিষয়টি দুঃখজনক, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”