১৮ই আগস্ট সোমবার বিকেল ৫টায় মেঘনা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। সব যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার হয়েছে । জানা যায়,মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া লঞ্চঘাট থেকে ৮ জন যাত্রী নিয়ে গোবিন্দপুর চরের উদ্দেশ্যে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ছেড়ে যায়।
পথিমধ্যে সেই নৌকাটি ভোলা-মেহেন্দিগঞ্জ সীমান্তের উত্তাল মেঘনার ঘুর্নিপাকে পড়ে মাঝিসহ ৯ জনকে নিয়ে ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় ডুবন্ত নৌকাটি ধরে উত্তাল মেঘনায় ভাসতে থাকে যাত্রীরা।
একটা সময় ঢেউয়ের তোড়ে তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে সিটকে পড়েন সবাই। পরবর্তীতে ভোলার বৈরাগীর চর ধানসিঁড়ি থেকে ৫ জন, ভোলার জনসন এলাকা থেকে ৩ জন এবং কাছিয়া মাঝেরচর থেকে ১ জনকে স্থানীয় জেলেরা নদী থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ডুবে যাওয়া নৌকার মাঝি হযরত আলী জানান, ৫ জন পুরুষ ও ৩ জন মহিলা ছিলেন তার নৌকায়।
তারা সবাই তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় মুদি বাজার করার জন্য সোমবার দুপুর ১২ টা দিকে গোবিন্দপুর চর থেকে রিজার্ভ নিয়ে উলানিয়া বাজারে আসে।
প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করে নৌকায় তোলার পর দেখতে পায় মেশিনের হ্যান্ডেল ও তেলের কন্টিনার উধাও।
খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, উলানিয়া গোবিন্দপুর খেয়ার ইজারাদারের লোক মারুফ সেগুলো নিয়ে যান এই অভিযোগে, যাত্রীরা কেনো তাদের খেয়ার ট্রলারে না এসে রিজার্ভ নৌকা নিয়ে আসলেন। প্রায় ২ ঘন্টা অনেক কাকুতি মিনতির পর ইজারাদারের লোকেরা রিজার্ভ নৌকাটি ছেড়ে যাবার অনুমতি দেন। ভুক্তভুগী এলাকাবাসী জানান, উলানিয়া – গোবিন্দপুর বাসিন্দারা দীর্ঘদিন যাবৎ খেয়া পাড়াপাড়ের ইজারাদারের নিকট জিম্মি হয়ে আছেন। তাদের খেয়ার ট্রলার ছাড়া অন্য রিজার্ভ ট্রলার বা নৌকায় পাড়াপাড় করলেই তাদের রোষানলে পড়তে হয়। এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী।