বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পাঁচ দিন পর আশুলিয়া থানায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি সায়েদ। গত (৫ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহিংসতায় থানায় হামলার ঘটনায় বন্ধ হয়ে যায় পুলিশের সকল কার্যক্রম। শনিবার (১০ আগস্ট) বিকেলের দিকে থানায় কাজে যোগ করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্যরা। এসময় পুলিশের এই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্বাগত জানালেন শিক্ষার্থীরা। সুত্র গত (৫ আগস্ট) আশুলিয়া থানায় হামলা চালিয়ে ভাংচুরের অগ্নিসংযোগ করে আন্দোলনকারীরা। এর পর প্রায় পাঁচ দিন আশুলিয়া থানার সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মূল ফটক দিয়ে ঢুকেই থানার ভবনের সামনে স্তুপ করে রাখা হয়েছে পুড়ে যাওয়া জিনিসপত্র। সেখানে পুলিশের পোশাক, ট্রাঙ্ক, গাড়ি, এসিসহ থানার ব্যবহৃত বিভিন্ন পোড়া জিনিস দেখা যায়। বিকেলে সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তার সঙ্গে থানায় প্রবেশ করেন পুলিশ সদস্যরা। তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। এসময় ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনতার সামনে বক্তব্য দেন এফ এম সায়েদ (ওসি) আশুলিয়া থানা। তিনি বলেন, আমরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তা দিয়েছি আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতায় আবারও থানার কার্যক্রম শুরু করেছি।
আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতা চাই তাদের সহযোগিতায় দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই। এর আগে, সকালের দিকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা থানা প্রাঙ্গণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন। এ সময় তারা পুলিশের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার কথা জানিয়ে বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে পুলিশের পাশে থাকবে শিক্ষার্থীরা।