আশুলিয়ায় বিদ্যুত অফিসের উদাসীনতায় ঝুকিপুর্ণ ভাবে ভবন নির্মাণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই, ২০২৪, ১২:১০ অপরাহ্ণ
শাহাদাৎ হোসেন সরকারঃ আশুলিয়ায় বেশির ভাগ বহুতল ভবন নির্মাণে মানা হয় না বিল্ডিং কোর্ট আইন, নেওয়া হয় না কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিজেদের মনগড়ায় তৈরী হয় বহুতল ভবন।
নির্মাণাধীন ভবন ঘেঁষে রয়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ হাই ভোল্টেজ তার। ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে নিহত হয় অসহায় নির্মাণ শ্রমিক। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসহায় পরিবার গুলো।
বিদ্যুতিক তারে বেঁধে এমন অনেক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে আশুলিয়ায় তার পরও এবিষয়ে পল্লিবিদ্যুত অফিস গুলোর নেই কোন জোরালো পদক্ষেপ।
আশুলিয়ার শিমুলিয়ার টেংগুরী বেলতলা নামক স্থানে এমনি দুইটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন মোঃ খোকন নামে এক ব্যক্তি।
এমন সংবাদের পর ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখা যায় নির্মাণাধীন ভবনের সাথে ঘেঁষে বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ হাই ভোল্টেজ রয়েছে সেই তারের পাশে ঝুঁকি নিয়ে বিল্ডিং নির্মানের কাজ করছেন শ্রমিকেরা। যেকারণে যেকোনো মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটণা।
এবিষয়ে আশুলিয়ার জিরানী মাজার গেইট পল্লিবিদ্যুত জোনাল অফিসের এজিএম মোঃ বাতেন কে অবগত করলে তিনি ঘটনা স্থল পরি দর্শন করেন।
তবে আইনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উক্ত স্থানে রেখে যাওয়া দুইজন লাইন ম্যানের সামনেই শেষ করেন ছাদ ঢালাই এর কাজ ।
বহুতল ভবন নির্মাণে কোন বৈধ কাগজ পত্র আছে কিনা এবিষয়ে বাড়ির মালিকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা সম্ভব হয়নি।
তবে জীরানি বাজার পল্লিবিদ্যুত জোনাল অফিসের এজিএম মোঃ বাতেন এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন আমি ঘটনা স্থলে গিয়েছি ওখানে আমাদের কোন মিটার নেই, তার পরও আমি কাজ করতে নিষেধ করেছি,এখানে যদি কোন ধরনের দূর্ঘটণা ঘটে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিবেন বলেও জানান তিনি।
অথচ বাড়ির মালিদের বহুতল ভবন নির্মাণে নেই কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ি নির্মাণে নিয়ম নিতির তোয়াক্কাও করেন না তারা।
জানা যায় একটি শ্রমিক মারা গেলে বাড়ির মালিক কর্তৃক তাদের পরিবারকে সামান্য ক্ষতিপূরণ দিলেও ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে আর নেওয়া হয় না আইনি কোন ব্যবস্থা। যার ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে এসকল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।