1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
"আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের বিচার দাবিতে আইজিপি ও পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন।" - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, ‘ভূতুড়ে বিল’ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের স্মারকলিপি ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে ঠাকুরগাঁওয়ে বার্ষিক শিশু ও যুব সমাবেশ-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলি বর্ষনের ঘটনায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রুবেল গ্রেফতার ১২৬ জন দুস্থ , রোগী, ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ২৩ লাখ টাকার চেক বিতরণ এলাকাবাসীর সুখে-দুখে পাশে থাকতে চান নিশাত মাহমুদ জালাল কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রামগঞ্জে বিএনপির আলোচনা সভা ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাণ ঝরল প্রবাসী যুবকের, ঘাতক গাড়ির খোঁজে হাইওয়ে পুলিশ কক্সবাজারের মাতামুহুরীর চকরিয়া রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলমন্ত্রীর কাছে ফের আবেদন অভিযোগের পরও বহাল কথিত অনৈতিক চক্র: কাটগড়ে ‘মনি ওরফে পিচ্ছি মনি’কে ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন, নীরব প্রশাসন

“আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের বিচার দাবিতে আইজিপি ও পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন।”

reporter মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ, সুনামগঞ্জ 
calendar প্রকাশিত: ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৯ অপরাহ্ণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আন্তর্জাতিক মানব পাচার মামলার আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক আইজিপি এবং সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবরে এক লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন মামলার বাদী।

আবেদনপত্র ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মোজাহিদপুর গ্রামের তাজিল মিয়ার ছেলে নুরুজ্জামান বিগত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে সুনামগঞ্জ মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল আদালতে পিটিশন মামলা নম্বর ১৪/২০২৬ দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর ৬ ও ৭ ধারায় জগন্নাথপুর থানায় মামলা নম্বর ১২ এবং জিআর নম্বর ১১৮ হিসেবে বিষয়টি নিবন্ধিত হয়।

আবেদনকারী নুরুজ্জামান অভিযোগে উল্লেখ করেন, মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য হওয়ার পর থেকেই জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নূর হোসেন আসামীদের সাথে গোপন যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন।

ঘটনার বিবরণীতে প্রকাশ, মামলার ১ নম্বর আসামী সিলেটের জালালাবাদ থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার পাড়ার বাসিন্দা মৃত কলমদর আলীর ছেলে শিপন আহমদ এবং ৪ নম্বর আসামী সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উত্তর সুরিয়ারপাড়ের বাসিন্দা আমিরুল ইসলামের ছেলে ফজলুর রহমানসহ পুরো চক্রটি আন্তর্জাতিক মাফিয়া ও চোরাচালান দলের সাথে সরাসরি যুক্ত। তারা সিলেট, ঢাকা, সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে লিবিয়া হয়ে ইতালি পাঠানোর নামে প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ১ নম্বর আসামী একাধিক সিম ব্যবহার করে বহু মানুষের সাথে প্রতারণা চালিয়ে আসছে। সে দুবাই থাকা অবস্থায় বাদীর বিরুদ্ধে সিলেটে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল, যেখানে কোনো লিখিত প্রমাণ ছিল না।

মামলা রুজুর পর থেকে আসামীরা বাদী ও তার পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। মামলা না তুললে বাদী ও তার স্বজনদের সুযোগ বুঝে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আসামী শিপন আহমদ ও ফজলুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আক্রোশমূলক পোস্ট দিয়ে বাদীকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখাচ্ছে।

আবেদনপত্রে পুলিশের নিস্ক্রিয়তার পেছনে প্রভাব বিস্তারের কথা উল্লেখ করে বাদী জানান, ১ নম্বর আসামী শিপন আহমদের ছোট ভাই শিপু দীর্ঘদিন জগন্নাথপুর থানায় মুন্সী হিসেবে কর্মরত ছিল। সেই সূত্রে সে পুলিশ কর্মকর্তা ও উর্ধ্বতন মহলে প্রভাব বিস্তার করে পুলিশকে ম্যানেজ করে রেখেছে। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের সাথেও তদন্তকারী কর্মকর্তার ফোনালাপের রেকর্ড বাদীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

পূর্বে ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাদী মামলাটি গোয়েন্দা শাখা ডিবিতে হস্তান্তরের আবেদন জানালে ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে জগন্নাথপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এক প্রতিবেদনে থানার ওসি ও এসআইকে নির্দোষ দাবি করেন, যা সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ ও বাস্তবতার বিপরীত বলে বাদী মনে করেন।

বর্তমানে ১ নম্বর আসামী শিপন আহমদ সিলেটে এবং ৪ নম্বর আসামী ফজলুর রহমান দিরাই, জগন্নাথপুর ও সুনামগঞ্জ সদরে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেফতার করছে না। ফলে এলাকায় আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী আবেদনকারী নুরুজ্জামান অবিলম্বে সকল আসামীকে গ্রেফতার, রিমান্ডে এনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য আইজিপি ও সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে ফেসবুকে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সিলেট সাইবার আদালতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা আবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, আসামীদেরকে গ্রেফতারের জন্য জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাদেরকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com