আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সেলিম রেজার বিরুদ্ধে অফিস কক্ষে বসে দালালদের মাধ্যমে রমরমা ব্যবসা ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের серьёз অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অফিস কক্ষে প্রবেশ করতে বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হয় এবং তিনি দরজা-জানালা বন্ধ রেখে টাকাপয়সার লেনদেন করেন। প্রশাসকের অফিসের বাইরে ঘুরে বেড়ায় দালাল চক্র, যাদের ছাড়া পরিষদের কোনো সেবাই পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ সেবাগ্রহীতাদের ।
একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেছেন, ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা পেতে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। এই অর্থ প্রদান ছাড়া তারা কোনো সেবা পান না। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে এবং পরিষদের আয়-ব্যয় ও সরকারি বরাদ্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও গরমিল রয়েছে ।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধেও একই ধরনের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল । তখনও অফিস কক্ষ বন্ধ রেখে গোপন বৈঠকে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। স্বল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার প্রশ্নও তোলেন স্থানীয়রা । ইয়ারপুরে যোগদান করেও তিনি সেই একই পদ্ধতিতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ।
এছাড়া, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বদলি হয়ে ইয়ারপুরে এসেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে । বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রশাসক সেলিম রেজা গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে রেগে গিয়ে অশালীন আচরণ করেন এবং কোনো তথ্য বা হিসাব দেখাতে পারেননি । এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের (স্থানীয় সরকার) উপ-পরিচালক যাবের মো: শোয়াইব জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে ।
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ।