1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
শাহজাদপুরে বর্ষা মৌসুমে পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে রেশমবাড়ি  - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
বন্দরটিলা মির্জা ম্যানসনের বিস্ফোরণের ঘটনায় রহস্য কাটেনি এখনো , তদন্তের অপেক্ষায় নগরবাসী মুলাদি ফেয়ার ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে রাকিব নামে ব্যবসায়ী শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন প্রধানমন্ত্রী’র বরিশাল সফর,গোপালগঞ্জে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় শিক্ত প্রধানমন্ত্রীকে বৃষ্টিতে ডুবল কুমিল্লা, নৌকায় চড়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা হালুয়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযান: ছাত্রদল নেতাসহ ৩ জনের কারাদণ্ড বৃক্ষরোপণ করেই দায়িত্ব শেষ নয়, পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে: গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রী পাঁচবিবিতে বজ্রপাতে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু দীর্ঘদিনের ভোগান্তি তুলে ধরলেন মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাড. মাসুদ পারভেজ (ভিপি)

শাহজাদপুরে বর্ষা মৌসুমে পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে রেশমবাড়ি 

reporter মোঃ জুবায়ের হাসান, শাহজাদপুর 
calendar প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের রেশমবাড়ি নামক স্থান এখন পর্যটকদের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে, যেখানে রয়েছে সরু রাস্তা যা চলে গেছে বহুদূর পর্যন্ত, আর দুইপাশে যতদূর চোখ যায় থৈ থৈ করছে পানি যেন দিগন্তে মিলে গেছে। বিকাল হলেই এখানে মানুষের ঢল নামতে শুরু করে, বন্ধু-বান্ধব পরিবার-পরিজb নিয়ে কিছুটা সময় কাটাতে আসেন তারা,
এমনকি গোসলেও নেমে যান অনেকে।

সিরাজগঞ্জের পশ্চিম অঞ্চল (অর্থাৎ) শাহজাদপুর উপজেলা ভাটি অঞ্চল হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে তলিয়ে যায় পানির নিচে,ঠিক রেশমবাড়ি এমনিই একটি জায়গা।মাঝের এই সড়কটির দুই পাশের যে জলাভূমি দেখা যায়,তা বর্ষা আসার আগেই শুষ্ক মৌসুমে এটি ছিল আবাদি জমি।বর্ষা মৌসুমে ধীরে ধীরে তলিয়ে যায়,বিশাল একটি জলাভূমি তৈরি হয় যা আসলে চলনবিলেরই একটি অংশ।

প্রকৃতির সৌন্দর্যের কারণে বর্ষা মৌসুমে এই রেশমবাড়ি এখন অন্যতম একটি পর্যটন স্পট।স্বীকৃত না হলেও ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ঠিকই খুঁজে বের করে চলে আসেন এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

জাহাঙ্গীর মোল্লা এবং ফারহান খাঁন ফাহিম তারা দুই ভাই রেশমবাড়ি ঘুরতে এসে বলেন, এখানে এসে আমাদের অনেক ভালো লাগছে,আমরা এখানে এসে দেখলাম অনেক দূর দূরান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসু লোকজন রেশমবাড়ির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে এসেছেন।
তারা আরো বলেন,এখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই,যদি প্রশাসন এটির উপর নজর দিত তাহলে নিরাপদে নির্বিঘ্নে ভ্রমণ পিপাসু লোকজন এসে ঘুরে যেতেন।যেহেতু এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এটি পর্যটন স্পট হিসেবে স্বীকৃত হয়নি তাই এখনো কিছু কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।

পানিতে গোসলের ব্যবস্থা থাকলেও নেই কোন হোটেল কিংবা পোশাক বদলানোর স্থান,স্থানীয়দের বাড়ি ভরসা তাদের।আবার নেই খাবার দাবারের ব্যবস্থা,যদি কেউ টয়লেট ব্যবহার করতে চাই তাহলে তাকে যেতে হয় বাজার পর্যন্ত, যা প্রায় ১০ কিঃমিঃ দূরে।

স্থানীয়দের কাছে এই জায়গাটি রেশমবাড়ির বিল হিসেবে পরিচিত, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি অদূরে এর নাম হয়ে যেতে পারে মিনি কক্সবাজার বা রেশমবাড়ির বীচ।বাংলাদেশে পর্যটন ক্ষেত্রে রেশমবাড়ি একটি সম্ভবনার নাম হতে পারে যদি সঠিক পরিকল্পনা করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com