মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি অনুসরণ করে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সদস্যগণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ০০১০ ঘটিকায় তালাইমারী বিওপি’র টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, মতিহার থানাধীন জাহাজ ঘাট নদীরপাড় নামক এলাকা দিয়ে মাদক দ্রব্যের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফাঁদ পেতে থাকে। ফাঁদ পেতে থাকার এক পর্যায়ে টহল দল হতে কিছুটা দূরে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পায় এবং ঘটনা যাচাই করার জন্য সুকৌশলে অগ্রসর হলে টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারীরা তাদের নিকট থাকা বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরক্ষনে টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাউকে দেখতে না পেয়ে আশেপাশে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে টহল দল একটি বস্তা দেখতে পায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র টহল দল কর্তৃত উক্ত বস্তাটি খুললে তার মধ্য হতে ৩৮ বোতল ভারতীয় মদ (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য মতিহার থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এছাড়াও একই দিনে রাত্রি আনুমানিক ০০১৫ ঘটিকায় চরমাজারদিয়া বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, দামকুড়া থানাধীন চরমাজারদিয়া পশ্চিমপাড়া নামক এলাকার কলা বাগানের মধ্যে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মাদকদ্রব্য লুকানো অবস্থায় রয়েছে। তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাউকে দেখতে না পেয়ে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে কলা বাগানের মধ্যে খড়ের পালার নিচে ব্যাগের মধ্য হতে ১৪ বোতল ভারতীয় মদ এবং ৭৭ পিস ট্যাপেনট্রাডল ট্যাবলেট (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য দামকুড়া থানায় জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।