চকরিয়া উপজেলার আওতাধীন নবগঠিত পহরচাঁদা ইউনিয়নের সিকদার পাড়ায় মাদকের ভয়ংকর বিস্তার! অভিযোগ—বেলাল ওরফে মধু বেলালের নেতৃত্বে এলাকায় গড়ে উঠেছে ইয়াবা সিন্ডিকেট। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির মধ্যেই প্রকাশ্যে চলছে মাদক কারবার—এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের।
সাবেক পহরচাঁদা ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমান স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কফিলউদ্দিনের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক কারবারিদের সতর্ক করে আসছেন। একাধিকবার সতর্ক করার পরও মাদক ব্যবসা বন্ধ না হওয়ায় গত ২০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মাদক, ধারালো ছুরি ও দেশীয় অস্ত্রসহ বিক্রির সময় বেলাল ও তার সহযোগীদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
খবর পেয়ে হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শওকত হোসেন এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।কিন্তু অভিযোগ—এরপরই বদলে যায় পুরো চিত্র! মামলা নয়, আদালতে চালান নয়; বরং মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে রফাদফা করে ভোর হওয়ার আগেই আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফাঁড়ির ইনচার্জ নাছেরের বিরুদ্ধে।
কফিলউদ্দিনের আরও অভিযোগ, ছাড়া পাওয়ার পরই তারা আবারও মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়েছে। তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে বেলাল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শওকত হোসেন বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। আর চকরিয়া থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেছেন—‘এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’
এখন প্রশ্ন—জনতার হাতে হাতেনাতে আটক ইয়াবা কারবারিরা পুলিশের হেফাজতে যাওয়ার পর মামলা ছাড়াই কীভাবে মুক্ত হলো?অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দাবি স্থানীয়দের।