শরতের নীল আকাশ, সাদা মেঘের ভেলা আর কাশফুলের দোলায় প্রকৃতি যখন অপরূপ সাজে সেজেছে, তখনই নীলফামারীর ডিমলায় অনুভূত হচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। কয়েকদিন ধরে ভোরের পাশাপাশি সন্ধ্যার পরও বিভিন্ন এলাকায় দেখা মিলছে হালকা কুয়াশার। সঙ্গে বইছে শীতল হিমেল বাতাস। এতে দিনের তুলনায় রাত ও ভোরে ঠান্ডার অনুভূতি বাড়ছে।
দিনের বেলায় শরতের রোদে উষ্ণতা থাকলেও ভোর ও সন্ধ্যার আবহাওয়া যেন ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। ভোরে মাঠ-ঘাট, সড়ক ও খোলা প্রান্তরে হালকা কুয়াশার চাদর দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যা নামলেই বাতাসে বাড়ছে শীতলতা। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হলে আগের তুলনায় বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ডিমলার পশ্চিম ছাতনাই কালীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা ওবায়দুজ্জামান অপু বলেন, শরতের নীল আকাশ ও কাশফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি কয়েকদিন ধরে ভোর
ও সন্ধ্যায় ঠান্ডা বাতাস অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর শীতের অনুভূতি বেশি পাওয়া যাচ্ছে।
প্রভাষক মিনার হোসেন বলেন, ডিমলায় কয়েকদিন ধরে সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস অনুভূত হচ্ছে। শরতের আবহের মধ্যেই আগাম শীতের আমেজ পাওয়া যাচ্ছে।
কলোনি বাজারের আব্দুল কুদ্দুস জানান ভোররাতে ঠান্ডার কারণে গায়ে কম্বল ব্যবহার করে ঘুমাতে হয়।
ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ের প্রকৃতির রূপ বেশ উপভোগ্য।
ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুস সবুর মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, হিমালয় অঞ্চল ডিমলার তুলনামূলক কাছাকাছি হওয়ায় এ অঞ্চলে অনেক সময় দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় শীতের প্রভাব আগেভাগে অনুভূত হতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে ভোর ও সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশা ও শীতল আবহাওয়া দেখা দেওয়া স্বাভাবিক।
শরতের রোদে দিনের উষ্ণতা আর ভোর-সন্ধ্যাায়
কুয়াশামাখা শীতলতা দুইয়ের মিশেলে ডিমলার প্রকৃতিতে এখন ঋতু পরিবর্তনের স্পষ্ট ছাপ। কাশফুলের দোলা ও নীল আকাশের সৌন্দর্যের সঙ্গে হিমেল বাতাস জানান দিচ্ছে, ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে শীতের ঋতু।