রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের কৃতী সন্তান মোহাম্মদ সাদমান আলাভী সামির জিপিএ-৫ অর্জন করে পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মুখে হাসি ফুটিয়েছে। তার এই সাফল্যে আনন্দিত পরিবার ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ভবিষ্যতে বুয়েটে পড়াশোনা করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সাদমান। সাদমানের সাফল্যে তার পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী সাদমান ভবিষ্যতে নিজের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য কাজ করতে চায়। পাশাপাশি মা-বাবার
আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে দেশের একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সে।কাপ্তাই বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, সাদমানের এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তার ভবিষ্যৎ যেন আরও উজ্জ্বল হয় এবং সে যেন দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারে—বিদ্যালয় ও কলেজের পক্ষ থেকে তার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইল। ভবিষ্যতে সে তার কর্ম ও সাফল্যের মাধ্যমে কাপ্তাই বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সাদমানের বড় বোনও তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে বলেন, “আমার ভাই যেন জীবনে ভালো কিছু করতে পারে, মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে পারে—এ জন্য সবাই আমার ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।”সাদমানের মা কুসুম আক্তার আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, সন্তানের এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ছোটবেলা থেকে তার পড়াশোনার পেছনে অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করেছি। আমাদের স্বপ্ন, সে ভবিষ্যতে একজন ভালো মানুষ হবে, নিজের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে। সবার কাছে আমার সন্তানের জন্য দোয়া চাই, যেন সে মা-বাবার স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে এবং দেশের গর্বিত সন্তান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
সাদমানের বাবা মোহাম্মদ শামসু উদ্দিন বলেন, আল্লাহ যেন আমার সন্তানের স্বপ্ন পূরণ করেন এবং জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেন। সে যেন জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়ে একজন সৎ, যোগ্য ও আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে—এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
জিপিএ-৫ পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে মোহাম্মদ সাদমান আলাভী সামির বলেন, এই অর্জনে আমি খুবই আনন্দিত। আমার মা-বাবা, বড় বোন ও শিক্ষকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে বুয়েটে পড়াশোনা করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী ও উন্নত বিজ্ঞানী হতে চাই। দেশের মানুষের জন্য কাজ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা এবং মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ করাই আমার অন্যতম লক্ষ্য।
সাদমানের পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।