1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
"চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি মামলার আসামি মোহাম্মদ হাসান: প্রশাসনিক পদে বহাল থাকা নিয়ে উদ্বেগ ও সমালোচনা" - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ১৩ বছরের কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ কাজিরহাট বাইসাইকেলের নিচে পড়ে গ্রাম পুলিশজাহাঙ্গীর (৪০)নিহত আসন্ন কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলের সমর্থনে আলোচনা হান্নান চৌধুরী অঘোষিত সিদ্ধান্ত “চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি মামলার আসামি মোহাম্মদ হাসান: প্রশাসনিক পদে বহাল থাকা নিয়ে উদ্বেগ ও সমালোচনা” শাহজাদপুরে যমুনা নদীর তান্ডবে নিঃস্ব চরের শত শত মানুষ কসবায় ২৫ জন শারীরিক প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ মাধবপুরে ২৮ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস জব্দ, আটক ১ দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা ঠাকুরগাঁও হরিপুর সীমান্তে দেশি মদ উদ্ধার কক্সবাজারে সাংবাদিক প্রশিক্ষন ও সূধী সমাবেশে – ড, সলিমুল্লাহ খান সাংবাদিকতা মানে সব বিষয়ে জ্ঞানরাখা, প্রচুর বইপড়া

“চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি মামলার আসামি মোহাম্মদ হাসান: প্রশাসনিক পদে বহাল থাকা নিয়ে উদ্বেগ ও সমালোচনা”

reporter এস. এম. সামজাত
calendar প্রকাশিত: ৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী ও সাবেক অথরাইজড অফিসার-১ মোহাম্মদ হাসান, যিনি একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি, আবারও আলোচনায় এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি, সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং ক্ষমতার অপপ্রয়োগের। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলাগুলো বিচারাধীন হওয়া সত্ত্বেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে বহাল থাকায় সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ জবাবদিহির বিষয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।

মোহাম্মদ হাসানের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ৪০/২০১২, ৪১/২০১২ এবং ৪৩/২০১২ নম্বর বিশেষ দুর্নীতি মামলা বিচারাধীন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম করেছেন। ২০১০ সালে কালুরঘাট সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে দুদক একাধিক মামলা দায়ের করে।

অভিযোগ রয়েছে, হাসানের নেতৃত্বে সিডিএতে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল, যা ভবন নকশা অনুমোদন ও সংশোধনে প্রশাসনিক নমনীয়তা প্রদর্শন করেছিল। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি, তথাপি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলে এসেছে।

২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর সিডিএ চাকরি প্রবিধানমালার ৪০(ঙ) ধারা অনুযায়ী তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে তাঁকে অথরাইজড অফিসার-১ এর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এক দশক ধরে বিচারাধীন মামলার আসামি হয়েও প্রশাসনিক পদে বহাল থাকা সিডিএর জবাবদিহির দুর্বলতার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে এবং এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হাসানের বিরুদ্ধে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাও আন্তরিক তদন্ত দাবি করেছেন।

প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে নজর না দিলে নগর উন্নয়ন সংস্থার প্রতি জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com