1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
খুলনার ডুমুরিয়ায় দুটি খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
মুক্তাগাছায় ইয়াবাসহ বাসের হেলপার আটক সেবায় মানুষের আস্থা অর্জন করছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার ব্যানার ছাড়া রুহিয়া উপজেলার প্রথম আইনশৃঙ্খলা সভা, সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা চ্যানেল আই এর আমরাই বাংলাদেশ টকশোতে মজিবুর রহমান ভূইয়া ও খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ননপরিবেশে খাবার তৈরি- নলডাঙ্গায় ৩ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা খুলনার ডুমুরিয়ায় দুটি খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ ঘোড়াঘাটে অনলাইনে গায়েব মৌজা, থমকে আছে নামজারি শাহজাদপুর চৌকি আদালত: ঝুলছে মামলা, এগোচ্ছে ৩০ কোটি টাকার প্রকল্প! মুলাদী উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজনে,নজরুল বর্ষ, প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ,গ্রীষ্মকালীন খেলাধুলা, ও নতুন কুড়ি প্রতিযোগিতা নিয়ে প্রস্তুতি সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে অটোমেশন পদ্ধতি চালু

খুলনার ডুমুরিয়ায় দুটি খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ

– সমালোচনার মুখে ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ফেরত

reporter মো: রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো
calendar প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় খাল খনন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। বিশেষ করে শ্রমিক দিয়ে খনন না করে ভেকু ব্যবহার, খননের মাটি পাড়ে রেখে বৃষ্টিতে আবার নদীতে পড়া এবং অপরিকল্পিতভাবে পাঁচ হাজার বৃক্ষরোপন করে ভুয়া বিল তোলার অভিযোগ ছিল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বৃষ্টির মধ্যে খাল খনের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর খনন কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। এর আগে দুই ঠিকাদারকে ১ কোটি ৭২ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়। গত ২০ জুন থেকে খননের কাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের অনুকুলে বরাদ্দ দেওয়া ১ কেটি ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করছিল ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের একটি চক্র। বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় সম্প্রতি সেই টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সরকারের খাল খনন কর্মসুচির আওতায় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার দুটি খাল খননের জন্য ৩ কোটি ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় ত্রান মন্ত্রণালয়। উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃঞ্চনগর নিমতলা হতে বিলডাকাতিয়া হয়ে রংপুর সাড়াতলা দক্ষিন পার্শ্ব আশি ফুট পর্যন্ত একটি এবং সাহস ইউনিয়নের ভোলডাঙা খাল হতে কাঠবুনিয়া বড় দোশানে হয়ে তেলিখালি গেট অভিমুখে ভদ্রা নদী পর্যন্ত দুটি খাল পুন:খননের কাজ শুরু গত এপ্রিল মাসে। খাল দুটির সংযোগ নদীর বুক ভরাট হয়ে যাওয়ায় এই খননের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তখনই প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু তারপরও খনন অব্যাহত রাখে প্রকল্পে বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। শ্রমিক দিয়ে খাল খননের কথা হলেও ব্যবহার করা হয় ভেকু। অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প হওয়ায় শুরু থেকে এই খনন নিয়ে সামালোচনা চলছিল। ত্রান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও খনন কাজ পরিদর্শনে গিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। স্বরজমিনে দেখা গেছে সাহস ইউনিয়নের ভোলডাঙ্গা খাল হতে কাঠবুনিয়া বড় দোয়ানে হয়ে ভদ্রা নদী পর্যন্ত প্রকল্পের ভদ্রা নদী নষ্ট হয়ে যাওয়া স্লুইস গেটের সামনে মাটির হদিস পাওয়া যায়নি। সেখানে নামমাত্র একটি বেড়িবাঁধ দেওয়া হয়েছে। যার দক্ষিন পাশেও পানি রয়েছে। এর মাঝখানে গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। প্রায় সব চারাই এখন পানির নিচে চলে গেছে। এছাড়া বিলডাকাতিয়ায় খনন করা খালের পাড়ে দেওয়া মাটির অধিকাংশ স্থানে অস্তিত্ব নেই।স্থানীয়রা জানান, ডুমুরিয়া – ফুলতলা এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা। এই জলাবদ্ধতা নিরসনে ” কৃঞ্চনগর নিমতলা হতে বিলডাকাতিয়া হয়ে রংপুর সাড়াতলা পর্যন্ত খাল পুন: খনন প্রকল্প নেওয়া হয়। এজন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। অর্ধেক কাজ বাস্তবায়ন দেখিয়ে প্রকল্পের ৮২ লাখ ২১ হাজার ৭৭৪ টাকা তুলে নিয়েছে ঠিকাদার। অথচ এই খননের নুন্যতমও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। এই খনন কাজ নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। সুত্রটি জানায়, কাজের মান নিয়ে ক্ষুব্ধ হওয়ায় খনন প্রকল্প দুটিতে অর্ধেক বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা তহবিলে জমা ছিল। উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একটি প্রভাবশালী চক্র খনন শতভাগ হয়েছে দেখিয়ে এই অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে জরুরিভাবে অব্যয়িত টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন জানান, ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দুটি খাল খনন প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে অব্যয়িত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা রাস্ট্রিয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এর বাহিরে আমার কিছু জানা নেই। ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার বলেন, যেটুকু কাজ হয়েছে পরিমাপ করে ততটুকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বর্ষা থাকায় কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে যেহেতু কাজ এখন বন্ধ অব্যয়িত টাকা সরকারকে ফেরত দেওয়াই যুক্তিযুক্ত ছিল। সেটাই করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com