শক্তিশালী নেতৃত্ব,ঐক্যবদ্ধ ব্যবসায়ী সমাজ-সমৃদ্ধ হবে দেশের অর্থনীতি”-এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে আসন্ন নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬-২০২৭ ও ২০২৭-২০২৮-এ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদে সাধারণ গ্রুপের ব্যালট নং ১৭ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যবসায়ী নেতা সুশান্ত কুমার।
আগামী ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনকে ঘিরে নীলফামারীর ব্যবসায়ী মহলে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ,বিনিয়োগের পরিবেশ সম্প্রসারণ,কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন সুশান্ত কুমার।
সুশান্ত কুমার নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কলাবাগান,কামারপুকুর এলাকার ব্যবসায়ী।তিনি শ্যামলী সিটি গ্রুপের পরিচালক এবং চেম্বারের সদস্য নম্বর জি-১৪৫৩।শিল্প ও ব্যবসা খাতে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছে রানু এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড,শ্যামলী সিমেন্ট শীট মিলস লিমিটেড,শ্যামলী রুফিং শীট লিমিটেড,সিটি ইস্পাত লিমিটেড ও মেসার্স সিটি ট্রেডার্স।
সুশান্ত কুমারের নির্বাচনী অঙ্গীকারে গুরুত্ব পেয়েছে যোগ্য নেতৃত্ব,স্বচ্ছতা,সততা ও ব্যবসায়ীদের কল্যাণ-এই চারটি মূল ভিত্তি।তিনি নির্বাচিত হলে নীলফামারী চেম্বারকে আরও কার্যকর,জবাবদিহিমূলক ও ব্যবসাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তার অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে-ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা,বিনিয়োগ বৃদ্ধি,নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা।একই সঙ্গে সরকারি দপ্তর ও ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
ব্যবসায়ী ও ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে ব্যবসায়ীদের জন্য সহজতর আর্থিক সেবার পরিবেশ তৈরির বিষয়টিও তার নির্বাচনী পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
পাশাপাশি ক্ষুদ্র,মাঝারি ও বৃহৎ-সব শ্রেণির ব্যবসায়ীর স্বার্থকে সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রতিনিধিত্ব করা এবং দেশি-বিদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তথ্য,পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সেবা সহজলভ্য করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনী প্রচারণায় সুশান্ত কুমারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে,ব্যালট নং ১৭-তে ভোট দিয়ে একজন যোগ্য,সৎ ও ব্যবসাবান্ধব নেতৃত্বকে নির্বাচিত করার জন্য।
তার প্রচার বার্তায় বলা হয়েছে,আপনাদের মূল্যবান ভোট ও আন্তরিক সমর্থন কামনা করছি।আপনাদের একটি ভোটই হতে পারে নীলফামারীর ব্যবসায়ী সমাজের উন্নয়নের নতুন অঙ্গীকার।
আগামী ২২ আগস্টের নির্বাচন তাই শুধু নেতৃত্ব নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা নয়-ব্যবসায়ীদের অধিকার,ঐক্য,বিনিয়োগ ও স্থানীয় অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথচলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।