1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
রামুতে অস্ত্র উদ্ধার: তদন্তের আগেই চেয়ারম্যানকে ঘিরে অপপ্রচার, নেপথ্যে কী? - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
চকমিরপুরকে মাদকমুক্ত ও আদর্শ মডেল ইউনিয়ন করার প্রত্যয় চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেলের ফলজ বাগান ধ্বংসের ঘটনায় উদ্বেগ, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চাইল নাগরিক পরিষদ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুর অংশগ্রহণে পদ্মা আবাসিক এলাকায় গাছের চারা রোপণ গোপালগঞ্জে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এর নেতৃত্বে ১৬ জন আওয়ামী লীগ নেতার দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করে সংবাদ সম্মেলন আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু উখিয়ার পালংখালীতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ ও বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ সবুজের বার্তা ছড়িয়ে লালমনিরহাটে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কটুক্তি প্রতিবাদ সমাবেশ গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে লালমনিরহাটে জামায়াতের গণমিছিল ঐতিহ্যবাহী  লাউতা ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক  চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাদিক হোসনে এপলু 

রামুতে অস্ত্র উদ্ধার: তদন্তের আগেই চেয়ারম্যানকে ঘিরে অপপ্রচার, নেপথ্যে কী?

reporter এস. এম. লুৎফুর কবির, কক্সবাজার
calendar প্রকাশিত: ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুলে একটি মিনি পিকআপ থেকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধারের ঘটনায় চালক মো. সোহেল (২৭) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ ইসমাইল নোমানকে জড়িয়ে নানা ধরনের প্রচারণা ছড়িয়ে পড়ে। অথচ পুলিশের দায়ের করা মামলা ও এজাহারে তাঁর নাম নেই। এতে প্রশ্ন উঠেছে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই একজন জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে এমন প্রচারণার উদ্দেশ্য কী?

রামু থানার মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৩০ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের হাজারীকুল (সিপাহীর পাড়া) এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। থামার সংকেত উপেক্ষা করে একটি মিনি পিকআপ পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে সেটি আটক করে। পরে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের নিচে লুকানো অবস্থায় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড ৭ দশমিক ৬৫ মিলিমিটার ক্যালিবারের গুলি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মিনি পিকআপের চালক মো. সোহেলকে গ্রেপ্তার করে অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর ১৯(এ)/১৯(এফ) ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় সোহেলের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছে রামু থানা পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস, কার কাছে তা পৌঁছানোর কথা ছিল এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এদিকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার পর থেকেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ ইসমাইল নোমানের নাম উল্লেখ করে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এসব পোস্টে তাঁকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে নানা মন্তব্য করা হয়েছে।

তবে পুলিশের দায়ের করা মামলার এজাহার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ ইসমাইল নোমানের নাম নেই। পুলিশও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ ইসমাইল নোমান এসব প্রচারণাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।

অস্ত্র উদ্ধারের মতো গুরুতর ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় কোনো ব্যক্তির নাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে।
তাঁদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত। মামলার এজাহারে নাম না থাকা কোনো ব্যক্তিকে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ভিত্তিতে অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে প্রচার করা হলে তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা যেমন জরুরি, তেমনি তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কোনো জনপ্রতিনিধি বা সাধারণ নাগরিককে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোও বন্ধ করা প্রয়োজন। প্রকৃতপক্ষে অস্ত্রটির মালিক কে, কোথা থেকে এটি এসেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তা বেরিয়ে আসা উচিত।
তাঁরা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। প্রমাণভিত্তিক তথ্যের ওপর নির্ভর করে কথা বলা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া জরুরি।
পুলিশের মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার ব্যক্তি মো. সোহেল ও অজ্ঞাতনামা একজনের কথা উল্লেখ রয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস, এর গন্তব্য এবং এর সঙ্গে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তদন্তেই তা স্পষ্ট হওয়ার কথা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com