বিরলে গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচারের অপচেষ্টা । দিনভর নাটকীয়তা শেষে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বিকাল ০৫.৩০ মিনিটে থানায় লাশ নিয়ে আসে। রাত ১১ টায় এ রিপোর্ট লেখাকালীন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণের প্রস্তুতি চলছিল।
গত মঙ্গলবার সকাল ১১.৩০ মিনিটে বিরলের ০৪ নং শহরগ্রাম ইউনিয়নের বাসুদেবপুর ডাঙ্গীপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর স্ত্রী আরজুমান বেগম (২৯) নিজ বসতঘরের বর্গার সাথে লাইলনের রশি ব্যবহার করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে অপপ্রচার করে স্বামীর পরিবারের সদস্যরা প্রথমে দিনাজপুর শহরের বসুন্ধরা ক্লিনিকে নিয়ে আসার পথিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়।
সে উপজেলার ফরক্কাবাদ ইউনিয়নের নলদিঘী গ্রামের আজিজুর রহমান এর মেয়ে। এদিকে হাসপাতালে লাশ না রেখে স্বামীর বাড়ীতে নিয়ে গেলে পিত্রালয়ের লোকজন স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনের নির্যাতনে মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে চরম হট্টগোল সৃষ্টি করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতপূর্বক লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
বিরল থানার ওসি (তদন্ত) আনিছুর রহমান সরকার জানান, মৃতর ভাই আবু বক্কর বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে। বিরল থানার অপমৃত্যু মামলা নং ৩৪, তারিখঃ ১৬.০৬.২০২৬। রাত১০.৩০ মিনিটে এ রিপোর্ট লেখাকালীন লাশ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছিল।
মেয়ের পরিবার আরো জানায়, সম্প্রতি ফুলবাড়ী বাজারে অগ্রণী এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এফডিআর এর মাধ্যমে জমা রাখার পর ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ লাপাত্তা হওয়ায় পরিবারে স্বানী-স্ত্রীর মধ্যে মনমালিন্য হয়ে থাকতে পারে। তাই দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত মৃত্যুঘটনা উন্মোচনের দাবি জানিয়েছেন মৃতর পরিবার।
তবে মৃত্যুর ১২ ঘন্টার মধ্যেও লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন না করায় কি কারণে থানা পুলিশ থানায় লাশ এতক্ষণ রেখে সময়ক্ষেপণ করেছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন ব্যক্তিবর্গ।