বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানাধীন ৪ নম্বর দুধল ইউনিয়নের গোমা বাজার থেকে শরশী পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত সড়কটি টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন ৪ নম্বর দুধল ইউনিয়নের পরিচিত বিএনপি ত্যাগী নেতা খান মকবুল হোসেন এবং তারুণ্যের আইডল হিসেবে পরিচিত খালেকুজ্জামান বাহাদুর। তাঁদের নেতৃত্বে স্থানীয় সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ করা হয়।
নিজস্ব অর্থায়নে জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় স্থানীয়দের মধ্যে তাঁদের প্রতি ব্যাপক প্রশংসা দেখা গেছে। এলাকাবাসী জানান, টানা বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি ও কাদা জমে চলাচল অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছিল। সড়কটি সংস্কারের ফলে আপাতত সাধারণ মানুষের চলাচলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
স্থানীয়রা খান মকবুল হোসেন ও খালেকুজ্জামান বাহাদুরের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তাঁদের জন্য দোয়া করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এলাকার অবহেলিত সড়ক ও জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো তাঁরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, ৪ নম্বর দুধল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনও বেশ কিছু কাঁচা ও পাকা সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নের অভাবে পড়ে রয়েছে। এসব সড়কের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।বিশেষ করে ৪ নম্বর দুধল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কে.জি.এস. মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চরগোমা পর্যন্ত অসমাপ্ত সড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।তাঁদের প্রত্যাশা, খান মকবুল হোসেন ও খালেকুজ্জামান বাহাদুর বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে এনে সড়কটির অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।
এলাকাবাসী আরও বলেন, একটি ভালো সড়ক শুধু যাতায়াতের সুবিধাই নিশ্চিত করে না; এর সঙ্গে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নও জড়িত। তাই দুধল ইউনিয়নের অবহেলিত সড়কগুলোর প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজর দিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নকাজ করবে—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা