1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদক উদ্ধারে শীর্ষ স্বীকৃতি পেলেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির সাথে প্রতারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন তজুমদ্দিনে ডেঙ্গু মৌসুমেও জলাবদ্ধতা: ময়লা পানিতে সয়লাব উপজেলা চত্বর ও বাজার মানুষকে হয়রানি করার জন্য বিএনপি ভোটে নির্বাচিত হয় নাই”এমপি খোকন তালুকদার” বদরখালীতে পুলিশ ফাঁড়ির আশ্বাস, মাদক-অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের ঘোষণা ময়মনসিংহ সদরে ভিডব্লিউবি কর্মসূচির টিওটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিদেশি সিগারেটসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার, ৩০ কার্টুন সিগারেট উদ্ধার। ‎মানবপাচার প্রতিরোধ ও মনিটরিং সেল-এর শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক আসাদুজ্জামান সরকার শুধু আইন করে নয়, জনসচেতনতার মাধ্যমেই মাদক নির্মূল সম্ভব’ টাংগাইলের ধনবাড়ীতে কৃষকদের মাঝে আমন মৌসুমের কৃষি উপকরণ বিতরণ

চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদক উদ্ধারে শীর্ষ স্বীকৃতি পেলেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী

reporter এস. এম. লুৎফুর কবির,
calendar প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম রেঞ্জে গত জুন ও জুলাই মাসে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধার এবং দায়িত্ব পালনে সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন), অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম), অতিরিক্ত ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স), পুলিশ সুপার (অ্যাডমিন), পুলিশ সুপার (ক্রাইম), পুলিশ সুপার (ইন্টেলিজেন্স), অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত জুন ও জুলাই মাসে চট্টগ্রাম রেঞ্জজুড়ে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধারের সাফল্য এবং দায়িত্ব পালনে সাহসিকতার জন্য ওসি শেখ মোহাম্মদ আলীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

সম্মাননা গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারবৃন্দ, কক্সবাজার সদর মডেল থানার সহকর্মী, কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতেই হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান বজায় রেখে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাব।”

সম্মাননার খবরে কক্সবাজারের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
কক্সবাজার পৌরসভার বাসিন্দা ও শিক্ষক মো. আবদুল হান্নান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের এমন স্বীকৃতি অন্যদেরও আরও আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে।”

ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাচ্ছে। ভালো কাজের স্বীকৃতি অবশ্যই প্রাপ্য।”

সমাজকর্মী শাহীনুর রহমান বলেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু পুলিশের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর সঙ্গে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতাও প্রয়োজন। তবে যারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, তাঁদের স্বীকৃতি দেওয়া অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ।”

অভিভাবক ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, “তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে। এমন স্বীকৃতি দায়িত্ব পালনে আরও অনুপ্রেরণা যোগাবে।”

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ এবং জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা গেলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাঁদের মতে, দায়িত্বশীল ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের এমন স্বীকৃতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করবে এবং জনসেবার মান আরও উন্নত করতে সহায়ক হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com