গাইবান্ধা জেলা সদর উপজেলা ৫নং বল্লমঝাড় ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মোঃ মজিবুর রহমান মহুরীর দ্বিতীয় পুত্র মোঃ জিয়াউর রহমানকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে বিজ্ঞ আদালত। মামলার সূত্র ধরে জানা যায়,গত ২৬/৮/২৫ ইং তারিখে সকাল অনুমান ১০ ঘটিকার সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটিয়া গুন্ডা সহ হাতে লোহার রড, বাসের লাঠি, ধারালো ছোরাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হইয়া অসৎ উদ্দেশ্য সাধনকল্পে সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলনের জমি অবৈধ ভাবে দখল করার চেষ্টা করিলে সংঘাতের সৃষ্টি হয়। ভিকটিম মোছাঃ আফরুজা বেগম সহ তার পরিবারের লোকজন লইয়া বাধা প্রদান করিলে আসামি অগ্নিমূর্তি ধারণ করিয়া সাংবাদিকের স্ত্রীকে বেদম মারপিট করে, এক পর্যায়ে আসামি জিয়াউর রহমান তাহার হাতে থাকা ভিকটিম আফরোজা বেগমকে ধারালো ছোরা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার ডান পাশে আঘাত করিয়া কাটা যখন করে, পুনরায় আসামি জিয়াউর রহমানের হাতে থাকা ধারালো ছোরা দিয়ে বৃদ্ধ আঙ্গুলে চোট মারিয়া গুরুতর হারকাটা জখম করে। ভিকটিম কে দ্রুত চিকিৎসার জন্য আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া জখমিকে উদ্ধার করিয়া গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। পরবর্তী সময়ে সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলনকে মোবাইল ফোনে বিস্তারিত ঘটনা জানালে তিনি দ্রুত গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে উপস্থিত হইয়া চিকিৎসা প্রদান করেন। ঘটনার বিষয়বস্তু জানিয়া এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির সহিত আলোচনা করিয়া গত ২৬/৮/২৫ ইং তারিখে গাইবান্ধা সদর থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিনুর ইসলাম তালুকদার সহিত আলোচনা করিয়া সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলন বাদী হইয়া গাইবান্ধা সদর থানায় দঃবিঃ ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৩৮০/৩৫৪/৬০৬/১১৪/৫০৬/৩৪ ধারার অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। যাহার গাইবান্ধা সদর থানার মামলা নং ৫২ তারিখ ২৯শে আগস্ট ২০২৫ এজারটি সত্যতা প্রমাণিত হইলে অফিসার্স ইনচার্জ এজহার এফআইআর করেন। পুলিশে নিবিড় তদন্তে হাজতবদ্ধ আসামী মোঃ জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইনের ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৫০৬/৩৪ ধারার অপরাধ প্রমাণিত হইলে বিজ্ঞ আদালত গত ১২/৭/২৬ ইং তারিখে দীর্ঘদিন পালাতক থাকার পর জামিন নেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হইলে উক্ত ধারা গুলি অজামিনযোগ্য হওয়ায় C/W মূলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে আনসারের সক্রিয় সদস্যকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। বর্তমানেও উক্ত আসামী জেল হাজতে আবদ্ধ রয়েছেন।