1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
গরুর ক্ষুরা ও পক্স রোগের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কে বোয়ালখালীর কৃষকেরা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী  মিড ডে মিল কোন অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সঞ্জয় গুপ্ত দ্বিতীয়বার হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি নির্বাচিত চকরিয়া শেভরণ হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু: চার দিন পর চিকিৎসকের ‘নাটকীয়’ ব্যাখ্যা, প্রশ্নের মুখে লাইসেন্স-অনুমোদন স্মার্ট ও দুর্নীতিমুক্ত পৌরসভা গড়তে ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কাপ্তাইয়ের ব্যাঙছড়ি সড়ক সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর ক্ষোভ রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির শুভেচ্ছা সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ধলাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: ৭০ বারকী নৌকা ধ্বংস, আটক ২ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু গৌরনদী রহমানিয়া কুরআন ক্যাডেট মাদ্রাসার সবক প্রদান অনুষ্ঠান

গরুর ক্ষুরা ও পক্স রোগের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কে বোয়ালখালীর কৃষকেরা

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ৫ জুলাই, ২০২৪, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ

আবু নাঈম,বোয়ালখালী চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে গরুর ক্ষুরা ও পক্স রোগের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কে রয়েছেন উপজেলার  খামারিসহ সাধারণ কৃষকেরা।

খরণদ্বীপ এলাকার খামারি সুজন পাল বলেন, ষাঁড় ও গাভী মিলিয়ে তার খামারে ১৩টি গরু ছিল। এর মধ্যে গত ৭ দিন পূর্বে ক্ষুরারোগে আক্রান্ত হয়ে
১ টি ষাঁড় গরু মারা গেছে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা হবে। এছাড়া কোরবানি ঈদের ৩ দিন পূর্বে ৭৫ হাজার টাকা দামের ১ টি বকনা মারা যায় এ রোগে। এখনো ১ টি বাছুর অসুস্থ এবং তার চিকিৎসা চলছে। তাদের ঘরে  পালন করা গরুর গায়ে গোলাকৃতি পক্স ( লাম্পি স্ক্রিন) দেখা দিয়ে গরুর সারা গায়ে ক্ষত হয়ে ঘা হচ্ছে। এতে শংকায় রয়েছেন তারা।

হঠাৎ করে আশংকাজনক হারে গরুর এ রোগ দেখা দেওয়ায়  উপজেলার শ্রীপুর খরণদ্বীপ, জৈষ্টপুরা, আমুচিয়া, আহলা করলডেঙ্গা, চরণদ্বীপ ও কধুরখীলসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু খামারি ও বিভিন্ন কৃষকের প্রায় শতাধিক গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। কোনো কোনো গ্রামে কিছু গরুর মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে খামারি ও কৃষকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।

শ্রীপুর, আমুচিয়া ও করলডেঙ্গা গ্রামের কয়েকজন কৃষকরা জানান, গত কয়েকদিন ধরে  এই রোগ দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারি ও কৃষকেরা। চিকিৎসা ব্যয় বেশি হওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যে সকল খামারী ও কৃষককের গরু আক্রান্ত হয়েছে তারা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সরকারিভাবে কোনো চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না বলে জানান কৃষকরা । এ কারণে অনেক খামারী ও সাধারণ মানুষ ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত বড় বড় গরু স্বল্প মুল্যে মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন বলেও জানান অনেকেই।
উপজেলার প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ছোট বড় মিলিয়ে ১ হাজার ৭৫৭টি গরুর খামার রয়েছে।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেতু ভূষণ দাশ  বলেন, প্রতিবছর কোরবানি ঈদের পর গরুর ক্ষুরারোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। কোরবানি উপলক্ষে দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে চট্টগ্রামে বেশী গরু আসে। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়  গরু স্থানান্তরিত হাওয়ার কারণে  এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। লাম্পি স্ক্রিনে আক্রান্ত হয়ে বড় গরুর চেয়ে বেশির ভাগ বাছুর মারা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুলাই) এ রোগে আক্রান্ত হয়ে    উপজেলার কানুনগোপাড়া এলাকার কৃষক মো নুরুল আবছার এর ১ মাস বয়সী একটি বাছুর মারা গেছে বলে জানা গেছে। গত ১৭ মে থেকে ১৭ জুন মাসে ১ হাজার ৪১৪ টি পশুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গবাদিপশুর এফএমডি ও লাম্পি রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা সরবরাহ জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা সেবা প্রদান ও সুস্থ গরুতে টিকা প্রদানের মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণে অফিসের সকলে মাঠে দিনরাত কাজ করছে।
উপজেলার  বিভিন্ন গ্রামে  মাসে প্রায় দুই তিন হাজার গরু-ছাগলের বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। খামারীসহ সাধারণ মানুষকে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করাসহ মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে।  পশু চিকিৎসায় সচেতনতা সৃষ্টির জন্য  উঠান বৈঠক করা হয়েছে। তার পরও এসব সাধারণ কৃষক ও খামারীরা অনেকে প্রাণী সম্পদ অফিসে  ডাক্তারের কাছে আসে না।  স্থানীয় গ্রাম্য হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে পশু চিকিৎসা করান। এ জন্য ভুল চিকিৎসায় অনেক গরু মারা যায়।
তিনি বলেন, বোয়ালখালীতে ৩ বছর ধরে প্রাণী সম্পদ হাসপাতালের মূল চিকিৎসক ভেটেরিনারি সার্জন এর পদ শুন্য রয়েছে। ফলে একসাথে  একাধিক রোগাক্রান্ত পশু হাসপাতালে আসায় জনবল সংকটের কারণে  প্রশাসনিক কাজও চিকিৎসার কাজ এক সাথে করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
স্থানীয়রা জানান, দেশে দিন দিন গরু ছাগল, হাঁস মুরগী লালন পালন ও খামারির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য ভেটেরিনারি সেবাকে জরুরী সেবা ঘোষণা পূর্বক হাসপাতালে ২৪ ঘন্টার জন্য অন্তত ৩ জন ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগ করা হলে খামারিরা উপকৃত হবে বলে মনে করেন অনেকেই ।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com