1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে নীতিমালা অনুসারে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা হাইকোর্টের - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার ও সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: বিরলে এমপি পিনাক চৌধুরী শিলের আঘাতে গৃহবধূকে হত্যা, পলাতক স্বামী কোম্পানীগঞ্জে লামা ডিস্কি বাড়ি–ফেদারগাঁও সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ রাজশাহীতে অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ সরঞ্জাম উদ্ধার দৈনিক ঘোষণা’র ৩২ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিনিধি সম্মেলন ১২ আগস্ট। উল্লাপাড়ায় আকবর আলী হল ও মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুলের একাডেমিক ভবনের কাজের উদ্বোধন আগৈলঝাড়ায় খাল-সড়ক দখল করে বাঁশের ব্যবসা, দুর্গন্ধ বাড়ছে জনদুর্ভোগ আগৈলঝাড়ায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ী বর্ডার গার্ড (২৯ বিজিবি) কর্তৃক আসামীবিহীন যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক

অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে নীতিমালা অনুসারে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা হাইকোর্টের

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৩, ৫:২৬ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক

অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে নীতিমালা অনুসারে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়ে রায়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সাথে অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে নীতিমালাটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রচারের ব্যবস্থা করতে বলেছেন।

অপ্রয়োজনীয় সিজার কার্যক্রম বন্ধে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই রায় দেন। আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।

রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, এই রায়ের ফলে অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে কঠোর ভাবে নীতিমালাটি মানতে হবে। আর এই নীতিমালায় অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে পর্যাপ্ত মনিটরিংয়ের কথা বলা আছে। এছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সিজারের ক্ষেত্রে সকল তথ্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
অপ্রয়োজনীয় সিজার রোধে একটি নীতিমালা তৈরিতে বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের জন্য ২০১৯ সালের ৩০ জুন নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ২০২১ সালের ২১ নভেম্বর নীতিমালা করে হাইকোর্টে জমা দেয়া হয়।

আইনজীবী রাশনা ইমাম বলেন, ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন এর মতে সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে শতকরা ১০ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি সিজার পদ্ধতি কোনো দেশেরই প্রয়োজনীয় হতে পারে না। বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে এটি প্রায় ৩১ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৮৩ শতাংশ এবং সরকারি হাসপাতালে এটার হার ৩৫ শতাংশ। এছাড়া এনজিও হাসপাতালগুলোতে ৩৯ শতাংশ। এটি আসলে এলার্মিং রাইজ, এ রেটটার বৃদ্ধি থামানোর জন্যই জনস্বার্থে মামলাটি আনা হয়। রাশনা ইমাম বলেন, গ্রামে-গঞ্জে যে প্রাইভেট হাসপাতাল আছে সেগুলো কোনো ধরনের সরকারি মনিটরিং ছাড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তারা সিজারিয়ান সেকশন করে যাচ্ছে। এটা থেকে অনেকের অমানবিক মৃত্যুও ঘটেছে।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনযুক্ত করে জনস্বার্থে রিটটি করেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com