1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
পৌর বিধিমালা না মানার অভিযোগের পর কথিত অবৈধ গ্যাস সংযোগের চেষ্টা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
রাজধানী ঢাকা মহিলা বাসে পুরুষ যাত্রী আবুল মনসুর সাজু চৌধুরী: কানাইঘাটের জনসম্পৃক্ত এক রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ কুস্তি: মোবাইল ও মাদকে আসক্ত যুবসমাজ, রয়েছে মাঠের অভাব ছয়মাইলে পুকুরে ‘দশমিনা এক্সপ্রেস’, প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা অন্য পুরুষের সঙ্গে স্ত্রী উধাও দুই মেয়েকে নিয়ে হুমকির মুখে প্রবাসী পটুয়াখালী ও মির্জাগঞ্জের দুই ইউএনও’র বিরুদ্ধে অভিযোগ দুদকে ভারতের অভ্যন্তরে উত্তর দিনাজপুর জেলায়/ রায়গঞ্জ মহকুমায়  ১ জন বাংলাদেশি নিহত সাত তলার নকশা, দুই তলার ভবন, তাতেও নেই পরিচালকের কক্ষ র‍্যাব থেকে এসআরবি : নাম পরিবর্তনই কি সমাধান ? চসিক এর অনুপ্রবেশ ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরে রাস্তা নির্মাণ অবৈধ দাবী ভূমি মালিকের

পৌর বিধিমালা না মানার অভিযোগের পর কথিত অবৈধ গ্যাস সংযোগের চেষ্টা

reporter এনামুল হক আরিফ,ব্যুরো চিফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
calendar প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একের পর এক অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন ডেভেলপার মুরাদ হোসেন ভূঁইয়া। পৌরসভার মুন্সেফপাড়ায় তার নিজস্ব চারতলা ভবন নির্মাণে পৌর বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত জায়গা না রাখার অভিযোগ, সরকারি রাস্তার অংশ ব্যবহারের অভিযোগের পর এবার ওই ভবনে অনুমোদনহীনভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।শুক্রবার সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, সকালে মুরাদ হোসেন ভূঁইয়ার ভবনে গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিষয়টি দেখতে পেয়ে পাশের বাড়ির এক নারী বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। পরে গ্যাস বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কথিত অবৈধ গ্যাস সংযোগের সরঞ্জাম জব্দ করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকেই মুন্সেফপাড়া এলাকায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। স্থানীয়দের প্রশ্ন—একই ভবনকে ঘিরে নির্মাণ বিধিমালা, সরকারি রাস্তা ব্যবহার এবং গ্যাস সংযোগ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ ওঠার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা কোথায়? পৌর বিধিমালা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মুরাদ হোসেন ভূঁইয়ার চারতলা ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে পৌরসভার প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জায়গা যথাযথভাবে রাখা হয়নি।
তাদের দাবি, ভবনের পাশে নির্ধারিত জায়গা এবং সামনের অংশে প্রয়োজনীয় খালি জায়গা রাখার বিধান থাকলেও নির্মাণকাজে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
শুধু তাই নয়, ভবন নির্মাণে সরকারি রাস্তার অংশ ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কী ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।গ্যাস সংকটের মধ্যে নতুন বিতর্ক,ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় বৈধ গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি ভবনে অনুমোদনহীনভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে—এমন অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যেখানে বৈধ গ্রাহকরাই পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না, সেখানে কোনো ভবনে অনুমোদন ছাড়া গ্যাস সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা কীভাবে সম্ভব হলো?গ্যাস বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সরঞ্জাম জব্দ করে থাকলে এর সঙ্গে কারা জড়িত এবং সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি কীভাবে শুরু হয়েছিল—তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।অভিযোগের পর অভিযোগ, ব্যবস্থা কোথায়?
মুরাদ হোসেন ভূঁইয়ার ভবনকে ঘিরে নির্মাণ বিধিমালা না মানা, সরকারি রাস্তার অংশ ব্যবহারের অভিযোগের পর এবার গ্যাস সংযোগের অভিযোগ সামনে এসেছে।
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। তবে অভিযোগগুলো সত্য কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিশ্চিত করা জরুরি।
তাদের দাবি, ভবনটির অনুমোদিত নকশা, নির্মাণের বৈধতা, নির্ধারিত সেটব্যাক এবং সরকারি রাস্তার সীমানা সরেজমিনে যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে গ্যাস সংযোগের বৈধতা ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আইন কি সবার জন্য সমান? স্থানীয়দের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন—আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তাহলে একের পর এক অভিযোগ ওঠার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান পদক্ষেপ কোথায়?
একটি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে পৌরসভার অনুমোদন, নির্মাণ বিধিমালা ও সরকারি জায়গা ব্যবহারের নিয়ম মানা যেমন বাধ্যতামূলক, তেমনি গ্যাস সংযোগের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত আইন ও অনুমোদন অনুসরণ করার কথা। ফলে অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে মুরাদ হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।সরকারি রাস্তার অংশ ব্যবহারের অভিযোগ থেকে শুরু করে নির্মাণ বিধিমালা না মানার অভিযোগ—এরই মধ্যে যুক্ত হয়েছে কথিত অবৈধ গ্যাস সংযোগের চেষ্টা। ফলে মুন্সেফপাড়ার এই চারতলা ভবন এখন শুধু একটি নির্মাণকাজের বিষয় নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিই হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের প্রধান দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com