1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়কে জাতীয় সমস্যার আংশিক সমস্যা অবগত করে কিছু কথা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী  মিড ডে মিল কোন অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সঞ্জয় গুপ্ত দ্বিতীয়বার হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি নির্বাচিত চকরিয়া শেভরণ হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু: চার দিন পর চিকিৎসকের ‘নাটকীয়’ ব্যাখ্যা, প্রশ্নের মুখে লাইসেন্স-অনুমোদন স্মার্ট ও দুর্নীতিমুক্ত পৌরসভা গড়তে ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কাপ্তাইয়ের ব্যাঙছড়ি সড়ক সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর ক্ষোভ রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির শুভেচ্ছা সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ধলাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: ৭০ বারকী নৌকা ধ্বংস, আটক ২ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু গৌরনদী রহমানিয়া কুরআন ক্যাডেট মাদ্রাসার সবক প্রদান অনুষ্ঠান

মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়কে জাতীয় সমস্যার আংশিক সমস্যা অবগত করে কিছু কথা

reporter মোঃ মতিউর রহমান সরদার
calendar প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ

দেশের সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক উন্নয়নের আশায় রাজনৈতিক ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার নেতাদের সাথে কাজ করেন। তাদের সকলের কাছ থেকে সকলের অঙ্গীকার অনুযায়ী সকলে সহায়তা পায় না। তাই এক পর্যায়ে তারা দেশের মন্ত্রী-এমপি ও সচিবের বরাবরে আবেদন করেন এবং মন্ত্রী-এমপিরা সুপারিশও করেন।

এরপরে সেই আবেদনপত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে যায় এবং নোট দেওয়ার জন্য বলেন। কোন-কোন ক্ষেত্রে সুপারিশ করে দিয়ে দেন এবং তাতে কাজ হতেও পারে নাও হতে পারে।যারা টাকার বিনিময় নোট দিয়ে থাকেন তারা টাকা পেলে একভাবে নোট দিয়ে থাকেন আর টাকা না পেলে আরেকভাবে নোট দিয়ে থাকেন। এরফলে যার টাকা আছে সে অতিরিক্ত উন্নয়ন সাধন করেন। উন্নয়ন বঞ্চিতরা-বঞ্চিতদের কাতারেই থাকেন।

যার টাকা নেই তার ফাইল নড়াচড়া করে না এবং টেবিলের উপরে বা নিচে ফাইল চাপা পড়ে থাকে। মানুষ আশা নিয়ে প্রতিদিন দৌড়াতে থাকে। এরফলে অনগ্রসর মানুষ অগ্রসর হওয়ার পথে ধাবিত হতে পারেননা।এর চেয়ে ভালো হয় মানুষকে যদি বলে দেওয়া যায় আপনার কাজ হবে বা হবে না। সুতরাং ঘুরাঘুরি করে সময় এবং অর্থের অপচয় করবেন না। এই ধরনের মানসিকতা সম্পন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেও ভালো হয়।

বেশিরভাগ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অসহায়-সাধারণ মানুষকে-মানুষ মনে করে না এবং ব্যবহারও ভালো করে না। দালালরা অনুদানের টাকা থেকেও সাহায্য প্রার্থীদের কাছ থেকে কমিশনের টাকা নিয়ে থাকে। মানুষের মনুষ্যত্ব এবং মানবতা চলে গেছে কোথায় !

সাধারণ মানুষের উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের আন্তরিকতাপূর্ণ সহায়তা পাওয়া উন্নয়নের স্বার্থে একান্তই প্রয়োজন। কোন-কোন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ভূক্তভোগীরা খুঁজে পান না। এতে অনেকেই হয়রানির শিকার এবং আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হন।

সরকারের উন্নয়নে যদি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পরিপূর্ণরূপে সহায়তা না করেন-তাহলে সরকারের ভালো কর্মকান্ড বাস্তবায়ন হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতি কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়-সে বিষয়টি সরকারের চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ানো উচিত।কোন-কোন মন্ত্রী-এমপির সাথে কোন মানুষ একান্তই প্রয়োজনে দেখা করার জন্য গেলে। কোন-কোন মন্ত্রী-এমপির সহকারীরা সাক্ষাৎ করার সুযোগ দেন না অথচ তারা মন্ত্রী-এমপির কাছের লোক এবং চিনেন ও মঙ্গল কামনা করেন।

সহকারীরা তাদের পছন্দের লোকগুলোকে আগে পাঠিয়ে দেন। এরফলে ভালো মন্ত্রী-এমপি-সচিবদেরকেও ভুক্তভোগীরা ভুল বুঝেন। এভাবে কাছের লোকও দূরে চলে যায়। এপিএস-পিও-পিওন-ড্রাইভার সাহেবরা এমন ভাব দেখান, তাতে মনে হয়, ওনারাই সবকিছু। ওনাদের কারণেও অনেকের কষ্টার্জিত সুনাম ক্ষুন্ন হয়।

সহকারীদের দায়িত্ব হল সাক্ষাৎ প্রার্থীদের নাম যথাযথ স্থানে পৌঁছে দেওয়া। দেখা করার সুযোগ দেওয়া না দেওয়ার বিষয়টি মন্ত্রী-এমপি ও সচিবদের বিষয়। অনেক সময় নাম না বলে এবং সংবাদ না পৌঁছিয়ে মিথ্যা কথা বলেন। কখনো বলে বসতে বলেছেন। এভাবেও দিনের পর দিন মানুষকে ঘুরানো হয়।

সুবিধা বঞ্চিত সাধারণ মানুষদেরকে মন্ত্রী-এমপিদের লোকেরাও চুষে খায় এবং অন্যদিকে সরকারি কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও চুষে খায়।

মন্ত্রী-এমপিদের উচিত নিজ-নিজ এলাকার মানুষের অবস্থা-অবস্থান ও জীবনযাপন কেমন তা সরাসরিভাবে দেখে এবং বাস্তবতার আলোকে যাচাই-বাছাই করে সহযোগীতা করা।

ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষি কার্ড সরকারের মহৎ কর্মসূচির অংশ। দেশে অনেক পরিবার আছেন যারা ভিক্ষাও করতে পারেননা এবং অপরাধও করতে পারে না এবং নিরবে মানবেতর জীবনযাপন করেন। তাই শহর এবং গ্রামের প্রতিটি বাসা-বাড়িতে গিয়ে সকলের পরিচিতি এবং কে কি করেন না করেন সে ব্যাপারে তদন্ত করে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা উত্তম।অনেক পরিবার ভালো পরিবেশে থাকেন ও পোশাক ভালো পড়েন কিন্তু তিন বেলা খেতেও পারেন না এবং সমস্যার কথা সহজে কাউকে বলতেও চান না। রাস্তার ভিক্ষুকরা ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। এ সমস্ত পরিবার না পারে ভিক্ষা করতে না পারে অপরাধ করতে।

পালিয়ে যাওয়া সরকার যথাযথ কৃষকদেরকে যথাযথ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না করে-পরিচিতদেরকে সহযোগীতা দিয়েছেন এবং সেগুলো তারা যথাযথ কৃষকদের কাছে বিক্রি করে খেয়েছেন। নামমাত্র কিছু কৃষক সহায়তা পেয়েছেন। সরকার যেহেতু ভালো কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন,কাজও করছেন,সেহেতু অতীতের ভুলত্রুটি সুধরে নিয়ে বাস্তবতার আলোকে যাচাই-বাছাই করে সহযোগিতা করলে ভালো হবে।

এই ক্ষেত্রে প্রশাসনের স্বচ্ছ মানসিকতা সম্পন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নীতি ও আদর্শিক নেতা-কর্মীদেরকেও কাজে লাগানো যেতে পারে। যথাযথ পরিবার ও ব্যক্তি যাতে সহযোগিতা পায় সেটাই জাতির কাম্য।

দেশে খাদ্য সামগ্রীসহ ইত্যাদি সামগ্রী ভেজালে ভরপুর। মানুষের ব্যবহার সামগ্রী ভেজাল হলেও খাদ্য সামগ্রীতে ভেজাল করা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে বিভিন্ন বয়সের মানুষের নানাবিধ রোগ ব্যাধির সমস্যাসহ দুর্বলতা দেখা দেয়। ভেজাল খাদ্যের প্রভাব আমাদের শিশুদের উপরেও পড়ে। যার ফলে অল্প বয়সী শিশুরাও চশমা ব্যবহার করে।

মানুষ হাসপাতালে গেলে বিভিন্ন প্রকারের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলা হয়। ডাক্তাররা যেই ঔষধ পত্র দেয় সেগুলোও অনেকের পক্ষে ক্রয় করে খাওয়া সম্ভব নয়। কেউ পরিপূর্ণ ঔষধ খেতে পারে না। এরফলে পরিপূর্ণরূপে রোগমুক্ত হতে পারেনা। রোগী যতবার পরীক্ষা ও নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যাবে ততবারই ডাক্তারের ফি দিতে হবে। এই ক্ষেত্রে অনেকের হাতে ঔষধ ক্রয় করার টাকাও থাকেনা।

সরকারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভালো কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভালো কাজ করতে চাইলেও-অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারণে সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন না এবং তারা কোন ঠাসা।

এদিকে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং উন্মুক্ত বিদ্যালয় লেখাপড়া করার জন্য দেশের অনেক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়। তারা অনেক কষ্ট করে ভর্তি ফি দিয়ে ভর্তি হয়। স্কুলে পড়ায় ঠিকই কিন্তু মূল মুল পড়া পড়ার জন্য যেতে হবে শিক্ষকদের কোচিং সেন্টারে। সেখানে আবার শিক্ষকদেরকে নতুন করে টাকা দিতে হয় যা অনেকের জন্য বাড়তি একটা ঝামেলা। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বলে দেওয়া হয় এখানে পড়ার কথা বাহিরে কাউকে বলবেনা। শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন নিয়ে ব্যবসা করে তা কি তারা বুঝতে পারে? প্রতিকারের উপায় খুঁজতে হবে।
আমাদের মানসিকতা কি করে উন্নত করা যায় এবং সকলে যাতে সকলের উন্নয়ন কামনা করেন । সেদিকে কিভাবে সচেতনতা ও মানবতা ফিরিয়ে আনা যায়। মানুষ হিসেবে সকলের প্রতি সকলের দায়বদ্ধতা আছে সে বিষয়গুলো সকলের আমলে নেওয়ার চেস্টা করতে হবে। সব ক্ষেত্রেই আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যিক চিন্তা। মানুষ হিসেবে ক্ষেত্র বিশেষ বিনামূল্যেও মানুষের কাজ করে দিতে হয়। তাছাড়া মানুষের পরিচয় পূর্ণতা হয় না। পূর্ণতা অর্জনের ক্ষেত্রে মানুষ হিসেবে অবশ্যই দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে । এগুলো পালন করার উপরেই নির্ভর করে মানুষ পরিচয় সার্থক হওয়া।

মহান আল্লাহপাকের পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনি বাংলাদেশের ২৩ তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। দল-মত নির্বিশেষে আপনাকে সকলে সাদা মনের এবং মানব দরদী ভালো মানুষ হিসেবেই জানেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভিতরে অতীতে যে সকল মহাসচিব ও নেতা ছিলো এবং আছে তাদের সকলের ভিতর থেকে আপনার প্রতি সকলের আলাদা সু-দৃষ্টি।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনস্বার্থে যুব অধিদপ্তরের মাধ্যমে যুব প্রশিক্ষণ একাডেমি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। প্রয়োজন রয়েছে উপর মহলের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময় গিয়ে যুব প্রশিক্ষণ একাডেমি পরিদর্শন করা। যারা প্রশিক্ষণ নেন তাদেরকে সরকার কি কি সহযোগিতা দেন সে সম্পর্কে তাদেরকে অবগত করা দরকার। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন উসিলা করে বিভিন্নভাবে টাকা নেওয়া হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক অনেক সময় ছাত্রীদের সাথে ভালো ব্যবহারও করেন না। সরকার যেহেতু জনস্বার্থে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলেছেন, সেহেতু জনস্বার্থেই তদারকি হওয়া উচিত।
সবশেষে দোয়া করি-মহান আল্লাহপাক যেন আপনাকে মান-মর্যাদার সাথে আলোকিত স্থানে রাখেন।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com