দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ১০ নম্বর রানীপুকুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বোর্ডহাট কলেজটি পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও আজ অব্দি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে কলেজের শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়দের মতে, যুগের পর যুগ ধরে এই অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এখান থেকে উত্তীর্ণ অসংখ্য শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সুনামের সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানেও একদল দক্ষ শিক্ষকের মাধ্যমে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, সুখ্যাতি থাকা সত্ত্বেও কলেজ প্রাঙ্গণটি সম্পূর্ণ অরক্ষিত। সীমানা প্রাচীর না থাকায় ক্যাম্পাসে হরহামেশাই বহিরাগত ও বখাটেদের আনাগোনা ঘটে, যা পাঠদানের পরিবেশ ব্যাহত করছে। এছাড়া অবাধে গবাদি পশু ঢুকে মাঠ ও চারপাশ নোংরা করছে। অন্যদিকে, রাতে বা ছুটির দিনে সীমানা প্রাচীর না থাকায় কলেজের মূল্যবান সরকারি সম্পদ চুরির ঝুঁকিতে থাকে।
এলাকাবাসীর মতে, উপযুক্ত ভবন থাকা সত্ত্বেও কেবল একটি মজবুত বাউন্ডারি ওয়াল এবং দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বারের (গেট) অভাবে কলেজটি তার পূর্ণাঙ্গ রূপ পাচ্ছে না। একটি আধুনিক গেট ও প্রাচীর নির্মিত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত হবে, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং কলেজের সৌন্দর্য ও মর্যাদা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
অত্র এলাকার শিক্ষার মান অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে বোর্ডহাট কলেজের সীমানা প্রাচীর ও দৃষ্টিনন্দন গেট নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।