1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচে, কাটেনি দুর্ভোগ; নদীভাঙনের শঙ্কায় তীরবর্তী মানুষ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ফুলবাড়ীতে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ মৌলভীবাজারে বন্যার্তদের পাশে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজির খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে ফায়ার সার্ভিসের সামনেই সরকারি বনের গাছ পাচার কুমিল্লার খোশবাস : ঐতিহ্যে, সৌন্দর্য ও আত্মনির্ভরতার এক অনন্য জনপদ আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা আসবে কিন্তু কিভাবে কারাবন্দী সাংবাদিক জহির মোল্লার মুক্তি ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পরিবারের ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন ফেডারেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ডাঃ জনির রামুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পক্ষে ত্রাণ বিতরণ মধ্যবিত্তের ঘরে আলো জ্বলে ভালোবাসায়…. ‎বকশীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচে, কাটেনি দুর্ভোগ; নদীভাঙনের শঙ্কায় তীরবর্তী মানুষ

reporter মো. রায়হান পারভেজ নয়ন
calendar প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ

উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা তীরবর্তী মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। রাতভর বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে তিস্তার পানি কমে বিপদসীমার নিচে নেমে এসেছে। তবে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের অনেক এলাকায় এখনো পানি আটকে থাকায় হাজারো পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। একই সঙ্গে নদীর তীব্র স্রোতের কারণে নতুন করে নদীভাঙনের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৩ মিটার, যা বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে। এর আগে সোমবার রাত ১০টায় একই পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাত থেকেই পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।
সোমবারের আকস্মিক পানি বৃদ্ধিতে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। অনেক বাড়িঘরে এখনো পানি থাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট, রান্নাবান্না এবং গবাদিপশু নিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
এদিকে পানি নামতে শুরু করলেও নদীর তীব্র স্রোতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় তীরভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত পানি নেমে গেলে নদীভাঙন শুরু হলে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
গয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাবর আলী বলেন, “অনেক পরিবার এখনো পানিবন্দি। শিশু, বৃদ্ধ ও গবাদিপশু নিয়ে মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত কমে আসায় তিস্তার পানি হ্রাস পাচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে উজানে আবার ভারী বৃষ্টিপাত হলে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নদীতীরবর্তী মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, তিস্তা তীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোথাও নতুন করে পানি বৃদ্ধি বা নদীভাঙনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com