আব্দুল্লাহ আল মারুফ, নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সাতকানিয়া উপজেলা পুরানগড় ইউনিয়নে জায়গা জমির বিরোধ নিয়ে ৩ লক্ষ টাকার ফসলে জমি নষ্ট করছো বলে স্থানীয় মামুন মেম্বার ও সাবেরা বেগমের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২৪ আগস্ট ২০২৪) দুপুর ২ টার দিকে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলমের নিজ বাড়ীতে সংবাদ সম্মেলনে করেন।জানা গেছে জাহাঙ্গীর আলম তার পৈতৃক সম্পত্তি কৃষি জমিতে বরবটি চাষাবাদ করিলে,বিগত ৭ আগস্ট মামুন মেম্বার ও তার সৎমা সাবেরা বেগমের নেতৃত্বে জাহাঙ্গীর আলমের বরবটি ক্ষেত রাতের আঁধারে দা-কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে বিনষ্ট করে।
এদিকে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন। আমি দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসায়িক কাজে শহরে ছিলাম। আমার বাবা মরে যাওয়ার পর আমি গ্রামে আসি এবং আমার পিতার জানাযা সম্পন্ন করে কিছুদিন না যেতেই,আমার উপর চলতেছে মিথ্যা অভিযোগ এবং নানা তালবাহানা।এমত অবস্থায় আমার সৎ মা আমার নামের সাতকানিয়া থানায় অভিযোগ প্রদান করে।
একপর্যায়ে সাতকানিয়া থানা থেকে আমাকে নোটিশ প্রদান করিলে।আমি থানায় হাজির হই। তারপর আমাকে সাতকানিয়া থানার এসআই বেলাল বলে উঠে ওই জায়গা আপনি ছেড়ে দিচ্ছেন না কেন এটাতো মামুন নাম্বারের জায়গা। আপনি কেন দখল করে বসে আছেন। তখন আমি জবাবে বলি,এই জায়গার বাগ বাটোয়ারা নিয়ে আদালতে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং ২০২১ সালে সাতকানিয়া আদালতে মামলা হয়েছে।এটার বিচার করবে আদালত। আপনারা কেন আমাকে থানায় ডাকালেন।তখন এক পর্যায়ে আমার কাছ থেকে জোর করে। একটি ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প নেই সেখানে আমার বাবার সকল ঋণ পরিশোধ করার জন্য লিপিবদ্ধ হয়।তারপর আমরা আমাদের বরবটি ক্ষেতের ফসল বিক্রয়ের টাকাগুলো মামুন মেম্বার কে প্রদান করি কিন্তু এখন মামুন,অস্বীকার করতেছে।মামুন মেম্বার এ আমার সৎ মা সাবেরা বেগম কে,নিয়ে আমাদের জায়গা দখল করতে চাই,তাই আমি প্রশাসনের কাছে এরকম জঘন্য নারকীয় অপরাধের বিচার চাই। এদিকে অভিযুক্ত স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন।জাহাঙ্গীর আমার মামাতো ভাই
তাদের কাছ থেকে আমার মা কিছু জায়গা পাবে এবং অভিযুক্ত জায়গা থেকে আমি ১৫ গন্ডা
জায়গা ২০২১ সালে ক্রয় করেছি। যাহা বর্তমানে আমার নামে বিএস রেকর্ড হয়েছে।জাহাঙ্গীর আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। আমি তার তিন লক্ষ টাকার ক্ষেত নষ্ট করে দিয়েছি।এটা সম্পূর্ণ একটা বানোয়াট মিথ্যা কথা,কেরানিহাট একটি আমার মুদির দোকান রয়েছে,আমি ব্যবসায়িক কাজে অধিকাংশ সময়
কেরানীহাট থাকি।স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্র জানা গেছে।জাহাঙ্গীর এবং তার সৎমার সাথে দীর্ঘদিন যাবত তাদের জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলতেছে।জাহাঙ্গীরের বরবটি ক্ষেত রাতের আঁধারে কে বা কারা কেটে দিয়েছে। তবে কারা এ কাজ করেছে তা আমরা চোখে দেখিনি।সাতকানিয়া থানার এস আই বলাল উদ্দীন বলেনে।বিগত পাঁচ মাস আগে আমাদের থানায় তারা অভিযোগ করেছিল,অভিযোগের ভিত্তিতে দু’পক্ষকে মীমাংসা করার জন্য একটি নন জুডিশিয়াল লিখিত স্ট্যাম্প নিয়েছিলাম।তারা উভয় পক্ষ আবার এই বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদ,সৃষ্টি করতেছে,বর্তমানে আদালতে উক্ত জায়গা নিয়ে মামলা প্রক্রিয়া দিন রয়েছে। শীঘ্রই আমি তদন্ত প্রতিবেদন কোর্টে প্রেরণ করব। এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার সার্কেল শিবলি নোমান বলেন।পরিস্থিতির স্বাভাবিক হলেই
আমরা বিষয়টা বিবেচনা করে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করব,কোন ধরনের সহিংসতা বা হানাহানি হলে।আমরা, সেনাবাহিনী সহ তা কন্ট্রোলে রাখার চেষ্টা করছি।