1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
​সংবাদ সম্মেলনে পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড সংশোধনের দাবি জহুর মিয়ার - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ডিমলায় পুলিশের অভিযানে ৭৩ বোতল ভারতীয় ‘এস্কাফ’ সিরাপ উদ্ধার সোনারগাঁওয়ে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলের চারা বিতরণ জলঢাকায় বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ‎দালালের প্রলোভনে ইতালির স্বপ্ন ভেঙে লিবিয়ায় তিন যুবক, নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে কোটি টাকার মুক্তিপণ দাবি তাযকিয়াতুল উম্মাহ’য় ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত আলফাডাঙ্গায় প্রেমিকের ফাঁদে মাদ্রাসা ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রধান অভিযুক্ত পুলিশে সোপর্দ পরিচ্ছন্নতাই হোক নাগরিক সংস্কৃতিঃ ক্লিন ময়মনসিংহ অভিযানে দাপুনিয়া বাজারে ঝাড়ু হাতে ইউএনও ধনবাড়ী উপজেলা যদুনাথপুর ইউনিয়নে বৃষ্টির পানিতে ধসে পড়ছে ৫ নং ওয়ার্ড এ বন্ধ হাওডা সড়কটি জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্পে জীবনযাত্রায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ঘোড়াঘাটে নারীর শিক্ষার আলোকবর্তিকা রাণীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ

​সংবাদ সম্মেলনে পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড সংশোধনের দাবি জহুর মিয়ার

reporter ​শফিকুল বারী
calendar প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ

​সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের জুগীরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ও প্রবাসী জহুর মিয়া সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড সংশোধন এবং মৌরসি স্বত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
​রবিবার (২ আগস্ট) সকাল ১১ ঘটিকায় সুনামগঞ্জ নতুন কোর্ট পয়েন্টে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জহুর মিয়ার ছেলে জাবেদ আহমেদ মুন্না। লিখিত বক্তব্যে জানান, জহুর মিয়া দীর্ঘ ১৮ বছর প্রবাসে ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর পিতা খোরশেদ আলী ১৯৪৬, ১৯৫১ ও ১৯৫২ সালের বিভিন্ন নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে জুগীরগাঁও মৌজাসহ বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে এসএ (SA) রেকর্ডে এসব জমি তাঁদের নামে স্বত্ব হিসেবে লিপিবদ্ধ হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি ওই সম্পত্তি ভোগদখলে রয়েছে।
​তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৫২ সালের সেটেলমেন্ট জরিপের সময় ভুলভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক এবং কয়েকজন ব্যক্তির নামে তাঁদের সম্পত্তির অংশ রেকর্ডভুক্ত করা হয়। এতে তাঁদের পারিবারিক সম্পত্তির স্বত্ব ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা আর্থিক ও আইনগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
​সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, তাঁদের কাছে জমির মালিকানার স্বপক্ষে একাধিক পুরোনো দলিল, এসএ খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের রসিদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। এছাড়া বর্তমান আরএস (RS) জরিপেও কয়েকটি খতিয়ানে জেলা প্রশাসকের (খাস) নামে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়েছে, যা তাঁর দাবি অনুযায়ী প্রকৃত মালিকানার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
​জহুর মিয়া জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে অংশ নেন। সে সময় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হলেও পরবর্তীতে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন পাননি বলে দাবি করেন। পরে ৭ মে ২০২৬ সালে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার (লিগ্যাল এইড) কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাননি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
​এ সময় উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হামিদ, আব্দুল শাহীদ, সাইফুল্লাহ ও মিজান মিয়া।
​তিনি বলেন, বর্তমানে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ঘুরছেন এবং ন্যায়বিচারের আশায় রয়েছেন।
​সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তাঁর পিতার ক্রয়সূত্রে অর্জিত পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে মৌরসি স্বত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
​তবে জহুর মিয়ার উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com