শেরপুরের পূর্বাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র ভীমগঞ্জ বাজার ও রঘুনাথপুর সোলারচর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে নির্মিত হতে যাচ্ছে শেরপুরবাসীর স্বপ্নের মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ইতিমধ্যে জমির মালিকদের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠান দুটির নামে মোট ২০ একর জমি বায়না করা হয়েছে।
ভীমগঞ্জ বাজারের পার্শ্ববর্তী স্থানে এ দুটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান চালু হলে এলাকার অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। শেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। ভীমগঞ্জ বাজারের পূর্বপাশেই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে অত্যাধুনিক আর্মি মেডিকেল কলেজ এবং আর্মি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
এই প্রকল্প শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি আমাদের প্রিয় জেলা শেরপুরের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের একটি মাইলফলক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দক্ষ ব্যবস্থাপনায় এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে: উন্নত চিকিৎসা সেবা: এই মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন হাসপাতালের মাধ্যমে শেরপুর ও আশেপাশের জেলার মানুষ বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পাবে। উচ্চশিক্ষার সুযোগ: স্থানীয় মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঘরের কাছেই উচ্চমানসম্পন্ন প্রযুক্তি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: বিশাল এই ক্যাম্পাসের পাশে গড়ে উঠবে নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
আধুনিকায়ন: এই শিক্ষা নগরী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শেরপুর একটি আধুনিক ও স্মার্ট জেলায় রূপান্তরিত হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই শেরপুরের এই জনপদ শিক্ষার আলোয় আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। শেরপুরের এই অভাবনীয় উন্নয়নে আনন্দিত এবং গর্বিত! এদিকে শেরপুর-ভীমগঞ্জ-ময়মনসিংহ সড়ক নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থাও দ্রুত উন্নত হচ্ছে, যা এ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবমিলিয়ে খুব শিগগিরই ভীমগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকার চিত্র বদলে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বায়নাকৃত ২০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া আধুনিক প্রতিষ্ঠান দুটির নামকরণ করা
হয়েছে যথাক্রমে:
১। আর্মি মেডিকেল কলেজ, শেরপুর
২। বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।