রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একজন পিয়ন জাহাঙ্গীরকে ঘিরে এবার তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ—ঘুষের সিন্ডিকেটের প্রভাবশালী সদস্য, যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রামের বাড়ি পর্যন্ত জমি-ফ্ল্যাটের খোঁজ; সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখার দাবি। একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারী হয়েও কীভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন তিনি—এ প্রশ্ন এখন অফিসপাড়া থেকে শুরু করে তার নিজ এলাকার মানুষের মুখে মুখে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত অবস্থায় জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দলিল নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে ঘুষ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক প্রতিবেদনে তার নামে ও সংশ্লিষ্টদের নামে বিপুল সম্পদের অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মূল্য ও মালিকানা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগ রয়েছে, অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অংশ হিসেবে কাজ করতেন জাহাঙ্গীর। দলিল করতে আসা সাধারণ মানুষকে নানা অজুহাতে হয়রানি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
পিয়ন, নাকি অঘোষিত প্রভাবশালী?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজনের অভিযোগ, অফিসের একজন সাধারণ পিয়ন হলেও জাহাঙ্গীরের প্রভাব ছিল অনেক বেশি। কে কখন কার সঙ্গে দেখা করবেন, কোন কাজ কত দ্রুত এগোবে—এসব বিষয়েও তার প্রভাব থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এমনকি স্থানীয় পর্যায়ে তার সম্পদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। অভিযোগকারীদের প্রশ্ন—একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারীর বৈধ আয়ের সঙ্গে তার দৃশ্যমান জীবনযাপন ও কথিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না?
সম্পদের উৎস নিয়ে বড় প্রশ্ন
বিভিন্ন প্রতিবেদনে জাহাঙ্গীরের নামে ও সংশ্লিষ্টদের নামে ফ্ল্যাট, জমিসহ বিপুল সম্পদের অভিযোগ এসেছে। একটি প্রতিবেদনে যাত্রাবাড়ীতে একাধিক ফ্ল্যাট এবং ঢাকাসহ অন্যান্য এলাকায় জমির তথ্যের দাবি করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের সরকারি নথি, বাজারমূল্য ও প্রকৃত মালিকানা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।
সচেতন মহলের দাবি, জাহাঙ্গীরের আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, সম্পদের বিবরণী এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি খতিয়ে দেখলেই প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।
দুদকের তদন্ত দাবি
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক || মোঃ সাহিদুর রহমান টেপা || সহযোগী সম্পাদক || নাজনীন সুলতানা || ব্যবস্থাপনা সম্পাদক || নওয়াজিস তাহনুন চন্দন || সহকারী সম্পাদক || ডা. শরিফুল হক প্রিয়ম || প্রধান নির্বাহী সম্পাদক || এস এম. জহিরুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: টেপা কমপ্লেক্স: ১৬৯/ক, এস এস নজরুল ইসলাম সারণী পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০ || বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৮ বিজয় নগর (৩য় তলা) ঢাকা -১০০০ || যোগাযোগ: ই-মেইল: ghoshonanews2024@gmail.com
দৈনিক ষোষণা