নওগাঁর ধামইরহাটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়'-এর কমিটি গঠন, প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দুর্নীতি অভিযোগ তুলে গতকাল (২ আগষ্ট) রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রাক্তন শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা।
অপরদিকে গত ৩ আগষ্ট সোমবার দুপুর ২টায় বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সংবাদ সম্মেলন- গত ২ আগস্ট (রবিবার) দুপুর ২টায় ধামইরহাট বাজারের একটি কোচিং সেন্টারে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ আবির হাসান মিলন। তিনি অভিযোগ করে বলেন: প্রধান শিক্ষক প্রকৃত দাতা সদস্যদের না জানিয়ে ও তথ্য গোপন করে গোপনে বোর্ডে এডহক কমিটির প্রস্তাব পাঠান। ৩ থেকে ৬ মাসের জন্য এডহক কমিটি গঠনের নিয়ম থাকলেও বর্তমান কমিটি ২ বছর পার করেছে এবং আবারও একই কৌশলে বিধি বহির্ভূতভাবে নতুন কমিটি গঠনের চেষ্টা করছে।
বিদ্যালয়ের জমি দাতা পরিবারের যে কাউকেই সভাপতি হিসেবে দেখতে চান তারা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের তহবিল তছরুপ, ভর্তি ও অন্যান্য খাত থেকে আদায়কৃত অর্থে অনিয়ম এবং নিজের পছন্দের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কমিটিতে রাখার অভিযোগ তোলা হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবক সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোজাফফর রহমান বাবু, মোঃ আবু সাঈদ, মেহেদী হাসান, মুন্না মোর্শেদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
এই ধারাবাহিকতায় অভিযোগ ভিত্তিহীন ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুরের পাল্টা অভিযোগে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সংবাদ সম্মেলন করেন।
অন্যদিকে, উত্থাপিত সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ৩ আগস্ট দুপুর ২টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষকবৃন্দের আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলন করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন: মিলন ও বাবুসহ ১৫-২০ জনের একদল যুবক চৌধুরী পরিবারের সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে তার কক্ষে প্রবেশ করে। তারা বর্তমান ম্যানেজিং কমিটি বাতিলের দাবি তুলে সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং প্রধান শিক্ষককে চেয়ারে বসতে না দেওয়ার হুমকি দেয়, যা বিদ্যালয় পরিবারের নিরাপত্তার ওপর চরম হুমকি সৃষ্টি করেছে।
বিধি অনুযায়ী এডহক কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত তালিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) স্বাক্ষর নিয়ে শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। যে কমিটি এখনও অনুমোদনই পায়নি, তা বাতিলের প্রশ্নই আসে না। তাছাড়া কমিটি অনুমোদন বা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেবল শিক্ষা বোর্ডের, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নয়। তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বিদ্যালয়ের যাবতীয় আয়-ব্যয় ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সুনিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালিত হয়, ফলে আর্থিক অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
সম্পাদক ও প্রকাশক || মোঃ সাহিদুর রহমান টেপা || সহযোগী সম্পাদক || নাজনীন সুলতানা || ব্যবস্থাপনা সম্পাদক || নওয়াজিস তাহনুন চন্দন || সহকারী সম্পাদক || ডা. শরিফুল হক প্রিয়ম || প্রধান নির্বাহী সম্পাদক || এস এম. জহিরুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: টেপা কমপ্লেক্স: ১৬৯/ক, এস এস নজরুল ইসলাম সারণী পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০ || বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৮ বিজয় নগর (৩য় তলা) ঢাকা -১০০০ || যোগাযোগ: ই-মেইল: ghoshonanews2024@gmail.com
দৈনিক ষোষণা