খতিয়ান সৃজন ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এস. এম. জাকের হোছাইনসহ ১০ আসামির মধ্যে ৯ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গত
সোমবার (৬ জুলাই) আসামিরা কুতুবদিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের আমির হোছাইন, দেলোয়ার হোছাইন, মো. আকতার হোছাইন, মো. নুরুল বশর, মো. হাছান, মো. হোছাইন, রকিবুল বশর, মো. নুরুল আমিন এবং পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এস. এম. জাকের হোছাইন। মামলার অপর এক আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ২৩ জুন পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি), কক্সবাজার দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত মামলার ১০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, বাদী শহিদুল ইসলামের বৈধভাবে ক্রয় করা জমির দলিল থেকে একটি দাগ নম্বর ঘষামাজা করে নিজেদের দলিলে সংযুক্ত করা হয়। পরে ওই জাল দলিলের ভিত্তিতে নতুন একটি খতিয়ান সৃজন করে জমির মালিকানা দাবি এবং জমি দখলের চেষ্টা চালানো হয়।
অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত করে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট খতিয়ান বাতিল করেন। তবে এরপরও অভিযুক্তরা জমি দখলের চেষ্টা অব্যাহত রাখায় ভুক্তভোগী আদালতে জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন।
আদালতের এ আদেশকে কেন্দ্র করে কুতুবদিয়াজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দলিল জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতের কঠোর অবস্থান ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক || মোঃ সাহিদুর রহমান টেপা || সহযোগী সম্পাদক || নাজনীন সুলতানা || ব্যবস্থাপনা সম্পাদক || নওয়াজিস তাহনুন চন্দন || সহকারী সম্পাদক || ডা. শরিফুল হক প্রিয়ম || প্রধান নির্বাহী সম্পাদক || এস এম. জহিরুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: টেপা কমপ্লেক্স: ১৬৯/ক, এস এস নজরুল ইসলাম সারণী পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০ || বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৮ বিজয় নগর (৩য় তলা) ঢাকা -১০০০ || যোগাযোগ: ই-মেইল: ghoshonanews2024@gmail.com
দৈনিক ষোষণা