সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দোকানের সামনে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরে রাসেল মিয়া (১৮) নামে এক যুবককে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী লাকমা গ্রামের ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম ছড়ার পাড়ে।
এ ঘটনায় আহত যুবককে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার লাকমা গ্রামের বাসিন্দা আহত রাসেল মিয়া'র পিতা ফজলুল হক (৪৭) বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে কুদ্দুস মিয়া (৫৫) এবং কুদ্দুসের স্ত্রী খুদেজা বেগম (৫০), ছেলে রিফাত মিয়া (২৬) ও রাহুল মিয়া (২৩)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে লাকমা ঈদগাহ মাঠের পশ্চিমে ছড়ার পাড়ে ফজলুল হকের ছেলে রাসেল মিয়া (১৮) আখের রসের ব্যবসা করেন। ওই স্থানে বিভিন্ন সময় ময়লা ফেলা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার সময় অভিযুক্তরা দা, রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে রাসেলকে দোকান অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলেন। এতে রাসেল প্রতিবাদ করলে কুদ্দুস মিয়া তাকে হত্যার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে কুদ্দুস মিয়ার স্ত্রীসহ তার ছেলেরা রামদা দিয়ে আহত রাসেল মিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কোপটি মাথার বাম পাশে লেগে গুরুতর কাটা ও রক্তাক্ত জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় আরও কয়েকজন রাসেল মিয়াকে কিল-ঘুষি ও লাথি দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার পা, পিঠ, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
আহত রাসেলকে প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ফজলুল হক দাবি করেছেন, অভিযুক্তরা এর আগেও তাদের ব্যবসায় বাধা ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার পরও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ নিউজি লেখা পর্যন্ত অভিযুক্তদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ট্যাকেরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগকারীর কাছ থেকে জানতে পেরেছি, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এখনো অভিযোগের কপি আমার কাছে পৌঁছায়নি। অভিযোগের কপি হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক || মোঃ সাহিদুর রহমান টেপা || সহযোগী সম্পাদক || নাজনীন সুলতানা || ব্যবস্থাপনা সম্পাদক || নওয়াজিস তাহনুন চন্দন || সহকারী সম্পাদক || ডা. শরিফুল হক প্রিয়ম || প্রধান নির্বাহী সম্পাদক || এস এম. জহিরুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: টেপা কমপ্লেক্স: ১৬৯/ক, এস এস নজরুল ইসলাম সারণী পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০ || বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৮ বিজয় নগর (৩য় তলা) ঢাকা -১০০০ || যোগাযোগ: ই-মেইল: ghoshonanews2024@gmail.com
দৈনিক ষোষণা